সোমের পর শুক্রবার।নির্ধারিত সময়ের অন্তত আড়াই ঘণ্টা পর দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টার লিস্ট বা অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। তবে এই তালিকাও ধোঁয়াশায় ভরা। কতজনের নাম অতিরিক্ত তালিকায় যুক্ত হয়েছে, কতজনই বা বাদ পড়েছেন - এসব কোনও কিছুই স্পষ্ট নয়। এমনকী বাদ যাঁরা পড়েছেন, তাঁরা কীভাবে, কোথায় আবেদন করবেন, তাও জানায়নি কমিশন। কারণ, এ বিষয়ে সমাধানের জন্য ১৯ জন বিচারপতিকে নিয়ে একটি ট্রাইব্যুনাল তৈরি হলেও তা কীভাবে কাজ করবে, এখনও স্থির হয়নি। তবে কমিশন সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত মোট ৩৭ লক্ষ ভোটারের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে। এখনও বাকি প্রায় ২৩ লক্ষ।
কমিশন সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত মোট ৩৭ লক্ষ ভোটারের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে। এখনও বাকি প্রায় ২৩ লক্ষ।
গত সোমবার, ২৩ মার্চ ভোটের ঠিক একমাস আগে প্রথম অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন। তখন রাত ১২টা বাজতে সামান্য কিছু সময় বাকি ছিল। সেই তুলনায় শুক্রবার, কিছুটা আগে, রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশিত হল। কিন্তু তাতেও বোঝা গেল না, এসআইআর পর্বে 'বিচারাধীন' থাকা কতজনের নাম তালিকায় যুক্ত হল, কতজন বাদ পড়লেন। সোমবার তালিকা প্রকাশের পর কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল, মঙ্গলবার সকালে বুথে বুথে এই তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হবে। সেখান থেকে বিচারাধীন ভোটাররা নিজেদের ভবিষ্যৎ জানতে পারবেন। কিন্তু মঙ্গলবার দিনভর এনিয়ে বিস্তর গোলযোগ দেখা যায়। যাঁরা অনলাইনে দেখার চেষ্টা করেছিলেন, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থমকে যাওয়ায় তাঁরা অতিরিক্তি তালিকা দেখতে পাননি। শুক্রবারও ব্যতিক্রম ঘটল না। প্রকাশিত দ্বিতীয় অতিরিক্ত তালিকা সেই ধোঁয়াশায় ভরপুর।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের পর প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা দেখা গিয়েছিল, কমবেশি ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম 'বিবেচনাধীন'। তাঁরা পরে কমিশনের নিয়ম মেনে নথিপত্র পেশ করেন। সেই হিসেবে অতিরিক্ত ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম যুক্ত হওয়ার কথা অথবা বাদ যাবে। সমস্যা হল, কমিশনের তৈরি বিচারকমণ্ডলী এসব বিচার-বিবেচনা করার ভিত্তিতে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হলেও সংখ্যা জানা যাচ্ছে না। কতজনের নাম তালিকা নতুন উঠল কিংবা কতজনের নাম মুছে গেল। কমিশনের দাবি, ভোটপর্ব শুরুর আগেই সকলের নামের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।
