shono
Advertisement
IAS-IPS Transfer Case

'এটা নতুন কিছু নয়', আইএএস-আইপিএস বদলি মামলায় হস্তক্ষেপই করল না সুপ্রিম কোর্ট

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত জানান, আপাতত বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে আদালত মামলাটি শুনবে না। তবে আইনগত প্রশ্নের ভিত্তিতে মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে বিচারধীন রাখা হল।
Published By: Sayani SenPosted: 04:32 PM Apr 16, 2026Updated: 05:29 PM Apr 16, 2026

আইএএস, আইপিএস বদলিতে (IAS-IPS Transfer) কলকাতা হাই কোর্টের সিদ্ধান্তই বহাল। এই মামলায় হস্তক্ষেপই করল না সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত জানান, আপাতত বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) কথা মাথায় রেখে আদালত মামলাটি শুনবে না। তবে আইনগত প্রশ্নের ভিত্তিতে মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে বিচারধীন রাখা হল।

Advertisement

এদিন রাজ্যের হয়ে মামলার সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আদালতে জানান, "রাজ্যকে কার্যত অন্ধকারে রেখে মোট ১ হাজার ১০০ জন আইএএস-আইপিএস বদলি করা হয়েছে। বাংলায় প্রথমবার এমন ঘটনা ঘটেছে। একেবারে শুরুতেই মুখ্যসচিবকে বদলি করা হয়েছে। কিছু প্রস্তাবের বিরোধিতা করলেন বলে তাঁকে বদলি করে দেওয়া হল। এটা কি বদলির কোনও কারণ হতে পারে।" তাঁর আরও অভিযোগ, "বদলির আগে রাজ্যের সঙ্গে কোনও পরামর্শ করা হয়নি। অথচ অতীতে উপনির্বাচনের সময় বদলির ক্ষেত্রে রাজ্যকে জানানো হয়েছিল।"

তবে কল্যাণের এই যুক্তিতে সেভাবে আমল দিতে নারাজ প্রধান বিচারপতি। তাঁর পর্যবেক্ষণ, "ভোটের আগে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতার কথা মাথায় রেখে অফিসার বদলি করা হয়েছে। এখানে পক্ষপাতের কোনও অভিযোগ থাকবে কীভাবে? যাঁদের বদলি করা হয়েছে তাঁরা সকলে বাংলার ক্যাডার। কমিশন এবং রাজ্য প্রশাসন কেউ কারও উপর আস্থাশীল নয়। আর সে কারণে আদালতকে বিচারকদের নিয়োগ করতে হয়েছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক।" প্রধান বিচারপতির মতে, "আইএএস-আইপিএস বদলি এই প্রথমবার হয়নি। এই সিদ্ধান্তকে নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হিসাবে ধরা উচিত নয়। নিরপেক্ষতার কথা মাথায় রেখে ভিনরাজ্যের পর্যবেক্ষক আনা হতেই পারে।"

বলে রাখা ভালো, ভোট (West Bengal Assembly Election) ঘোষণার দিনই তাৎপর্যপূর্ণভাবে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ একাধিক পুলিশ কর্তাকে সরিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। এমনকী কলকাতা পুলিশ কমিশনার, ডিজি-সহ একাধিক জেলার পুলিশ সুপারকেও রাতারাতি বদল করার নির্দেশ দেয় কমিশন। সরানো হয়েছে রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, প্রেসিডেন্সি এবং জলপাইগুড়ির রেঞ্জের ডিআইজিকে। বদলি নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেই অভিযোগ উঠছে। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সুর চড়ান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করেই কেন শীর্ষ আধিকারিকদের বদল, তা নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও দেন। সেই ক্ষোভের জল গড়ায় কলকাতা হাই কোর্টে। আধিকারিকদের বদলি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বলেই জানায় আদালত। এরপর কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। এই মামলায় হস্তক্ষেপ করল না সুপ্রিম কোর্টও।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement