নিজেদের নিযুক্ত জেনারেল পর্যবেক্ষকের কাজেই অসন্তুষ্ট! ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগে সরিয়ে দেওয়া হল হুগলির চুঁচুড়া বিধানসভার পর্যবেক্ষককে। শুধু তাই নয়, দ্রুত বাংলা ছাড়তেও নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের। এর আগে কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের পর্যবেক্ষককে সরিয়ে দিয়েছিল কমিশন।
অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে এবার একেবারে কোমর বেঁধে নেমেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের প্রত্যেক বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য একজন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়। সেই মতো হুগলির পর্যবেক্ষক হিসেবে সি.পলরাসুকে দায়িত্ব দেয় কমিশন। কিন্তু তাঁর কাজ নিয়ে মোটেই কমিশন সন্তুষ্ট নয় বলে সূত্রের খবর। এরপরেই এই কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক পদ থেকে সি.পলরাসুকে সরিয়ে দেওয়া হল। এমনকী দ্রুত তাঁকে বাংলা ছাড়তেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। জানা গিয়েছে, আপাতত চুঁচুড়া বিধানসভার পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজেশ কুমার শর্মাকে। পাশের বিধানসভা কেন্দ্রের পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। সেই রাজেশ কুমার শর্মাকেই চুঁচুড়া বিধানসভার পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হুগলির পর্যবেক্ষক হিসেবে সি.পলরাসুকে দায়িত্ব দেয় কমিশন। কিন্তু তাঁর কাজ নিয়ে মোটেই কমিশন সন্তুষ্ট নয় বলে সূত্রের খবর। এরপরেই এই কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক পদ থেকে সি.পলরাসুকে সরিয়ে দেওয়া হল। এমনকী দ্রুত তাঁকে বাংলা ছাড়তেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে।
বলে রাখা প্রয়োজন, এর আগে কোচবিহার উত্তর কেন্দ্রের সাধারণ পর্যবেক্ষককে সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তাঁর কেন্দ্রে কতগুলি বুথ আছে, সেই প্রশ্নের উত্তর মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে দিতে না পারেননি ওই পর্যবেক্ষক। এরপরেই কমিশনের ক্ষোভের মুখে পড়েন সংশ্লিষ্ট ওই আধিকারিক। রাতারাতি দায়িত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এবার চুঁচুড়া বিধানসভার পর্যবেক্ষকের পারফরম্যান্সে অসন্তুষ্ট কমিশন। এরপরেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল। আগামী ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন রয়েছে। ভোট হবে উত্তরবঙ্গ-সহ মোট ১৫২টি বিধানসভা আসনে। দ্বিতীয় দফায় ভোট রয়েছে আগামী ২৯ এপ্রিল। তার আগেই কমিশনের এহেন পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
