অতিরিক্ত ভোটার তালিকাতেও নাম নেই হাসনের তৃণমূল প্রার্থী কাজল শেখের। আগামী ২৩ এপ্রিল অর্থাৎ প্রথম দফায় ওই আসনে নির্বাচন। মনোনয়নপত্র পেশের শেষ তারিখ ৯ এপ্রিল। মনোনয়ন পেশের আগে যদি তালিকায় তাঁর নাম না ওঠে, তাহলে কী ভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও কাজল শেখের আশা, পরবর্তী অতিরিক্ত ভোটার তালিকায় নাম থাকবে তাঁর।
বছরের পর বছর বাংলাতেই রয়েছেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ। এই মাটিতেই বেড়ে উঠেছেন তিনি। তা সত্ত্বেও এসআইআর হিয়ারিংয়ে ডাক পড়েছিল কাজল শেখের। তাঁর ৯০-ঊর্ধ্ব মা-ও ছাড় পাননি। তাঁকেও তলব করা হয়েছিল হিয়ারিংয়ে। যাবতীয় নথি পেশ করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হলে দেখা যায়, তাঁদের নাম রয়েছে বিচারাধীনের তালিকা। মনে করা হয়েছিল, অতিরিক্ত তালিকায় তাঁদের নাম থাকবে। কিন্তু সোমবার অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হতে দেখা গেল, সেখানে নাম নেই কাজল শেখ ও তাঁর মায়ের।
হাসন আসনে কাজল শেখকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। আগামী ২৩ এপ্রিল অর্থাৎ প্রথম দফায় ওই আসনে নির্বাচন। মনোনয়নপত্র পেশের শেষ তারিখ ৯ এপ্রিল। ফলে তার আগে ভোটার তালিকায় নাম না উঠলে কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
হাসন আসনে কাজল শেখকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। আগামী ২৩ এপ্রিল অর্থাৎ প্রথম দফায় ওই আসনে নির্বাচন। মনোনয়নপত্র পেশের শেষ তারিখ ৯ এপ্রিল। ফলে তার আগে ভোটার তালিকায় নাম না উঠলে কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদি মনোনয়ন পেশের আগে নাম না ওঠে সেক্ষেত্রে প্রার্থী বদল করতে হবে তৃণমূলকে। যদিও কাজল শেষের আশা, পরিবর্তী তালিকায় তাঁর নাম থাকবে।
