ভোট (West Bengal Assembly Election) দিতে গিয়েছিলেন পরিচয়পত্র নিয়ে। লাইনে দাঁড়িয়েও তিনি ভোট দিতে পারলেন না! জানিয়ে দেওয়া হল, তাঁর পোস্টাল ভোট হয়ে গিয়েছে! কিন্তু তিনি তো ভোট দেননি! কিন্তু বুথ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, আগেই তাঁর ভোট পড়ে গিয়েছে। এমনই ঘটেছে বালুরঘাটের হামিদ সরকারের সঙ্গে। কেবল তিনিই নন, আরও একাধিক ব্যক্তির ভোট আগে পোস্টাল ব্যালটে পড়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। বিজেপি ছাপ্পা ভোট দিচ্ছে, এমনই অভিযোগ করল তৃণমূল। বালুরঘাটের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অর্পিতা ঘোষ এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
বাংলায় প্রথম দফার নির্বাচন (West Bengal Assembly Election) চলছে। সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকায় বুথে বুথে ভোটারদের লম্বা লাইন। দক্ষিণ দিনাজপুরেও ভোট চলছে কড়া নিরাপত্তায়। সেখানেই বালুরঘাটে ছাপ্পাভোট দেওয়ার অভিযোগ উঠল। বালুরঘাট কেন্দ্রের ১৬৪ নম্বর বুথের ভোটার প্রৌঢ় হামিদ সরকার। তিনিও সকালে ভোট দিতে গিয়েছিলেন। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরে ভোট দেওয়ার সময় তিনি আর ভোট দিতে পারেন না! কেন্দ্র থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, তাঁর নামে থাকা ভোট আগেই পড়ে গিয়েছে! কিন্তু তিনি তো তখনও ভোট দেননি! তাহলে কি ছাপ্পা ভোট পড়ছে ওই বুথে? অভিযোগ, কেবল তাঁর নামেই নয়, আরও বেশ কয়েকজনের নামে একইভাবে ভোট পড়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ!
ঘটনার কথা শুনে ক্ষোভপ্রকাশ করেন বালুরঘাটের তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষ। তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি বিভিন্ন জায়গায় ছাপ্পাভোট দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, বিজেপির বিরুদ্ধে এই ঘটনা নিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। কমিশন অভিযোগ খতিয়ে দেখছে বলে খবর। যদিও এই অভিযোগ মানতে চায়নি বিজেপি। তৃণমূল মিথ্যা অভিযোগ করছে বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। এদিন সকালেই ভোট দেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত ভট্টাচার্য। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের দৌলতে এবার শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে। অশান্তি, হিংসার ছবি কখনওই কাম্য নয়। শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হোক বাংলায়।
