ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) রাজ্যের ২৯৪ আসনে মাত্র দু'দিনেই ভোটগ্রহণ। রবিবার সেই সূচি প্রকাশ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল - মাত্র দু'দফায় ভোট। প্রথম দিন উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল-সহ ১৫২ বিধানসভা আসনে ভোট। আর দ্বিতীয় দিন ভোটগ্রহণ বাকি ১৪২ আসনে। আগামী ৪ মে ফলপ্রকাশ। একুশে বিধানসভা ভোট হয়েছিল ৮ দফায়। সেখান থেকে ছাব্বিশে কমে দু'দফায় ভোট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। কেন এভাবে দফা কমানো? এদিন সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।
পশ্চিবঙ্গে ভোটের দফা কমানো নিয়ে কমিশনের বক্তব্য, “কমিশন মনে করছে, ভোটে দফা কমানো প্রয়োজন। সকলের পক্ষে সুবিধাজনক, এমন একটি পর্যায়ে এই দফা নামিয়ে আনা দরকার।” প্রসঙ্গত, বামফ্রন্ট এবং বিজেপি বারবার দাবি করেছিল, বঙ্গে এক বা দু'দফায় ভোট হোক। এদিন কমিশনের ঘোষণায় সেই আবেদনকে মান্যতা দেওয়া হল।
পশ্চিবঙ্গে ভোটের দফা কমানো নিয়ে কমিশনের বক্তব্য, “কমিশন মনে করছে, ভোটে দফা কমানো প্রয়োজন। সকলের পক্ষে সুবিধাজনক, এমন একটি পর্যায়ে এই দফা নামিয়ে আনা দরকার।” প্রসঙ্গত, বামফ্রন্ট এবং বিজেপি বারবার দাবি করেছিল, বঙ্গে এক বা দু'দফায় ভোট হোক। এদিন কমিশনের ঘোষণায় সেই আবেদনকে মান্যতা দেওয়া হল। তবে দু'দফায় ভোট হলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। যদিও সেদিকে নজর রেখে অনেক আগে থেকেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়েছে। তাঁরা রুট মার্চ করে এলাকায় নজরদারি শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। কমিশনের দাবি, হিংসামুক্ত নির্বাচনের লক্ষ্যে তারা পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে। স্পর্শকাতর এলাকায় এখন থেকেই শুরু হয়েছে এরিয়া ডমিনেশন।
ওয়াকিবহাল মহলের মত, দফা কমিয়ে আসলে হিংসাবিহীন ভোট করানোই লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের। একুশের নির্বাচনে ৮ দফায় ভোট হওয়ায় অশান্তি কম হয়নি। নিরাপত্তাবাহিনীও আক্রান্ত হয়েছে কোথাও কোথাও। অনেকে মনে করছেন, দু দফায় বঙ্গে ভোটের পরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গেই কমিশন প্রায় বেনজির নিরাপত্তার কথাও ভেবেছে। আর সেই কারণেই পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এখন বঙ্গের রাজনৈতিক পরিবেশে কতটা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে, সেই ছবিটা স্পষ্ট হবে ২৩ ও ২৯ এপ্রিল।
