বঙ্গে বিজেপি জমানা শুরু হওয়ার পর থেকে নানা ঘটনার সাক্ষী থেকেছেন বঙ্গবাসী। তেমনই এক অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটে গেল পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায়। দেখা গেল, মহাদেবের কাছে করা পুরনো মানত পূরণ করতে গণমুণ্ডন! একসঙ্গে মাথা নেড়া করলেন ৫ বিজেপি কর্মী। সোমবার দুপুরে এগরা ১ ব্লকের সাহাড়া অঞ্চলের শিপুর বাজারের বিখ্যাত কেশবেশ্বর জিউ শিবের মন্দিরে এই ‘গণমুণ্ডন’ কর্মসূচি হয়। মাথা মুড়িয়ে তাঁরা মন্দিরে গিয়ে পুজোও দেন। এই ঘটনা ঘিরে এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। অনেকে কৌতূহলবশত তাঁদের দেখতে যান।
কর্মসূচি প্রসঙ্গে এক বিজেপি কর্মী জানান, ‘‘তৃণমূল জমানায় দিনের পর দিন আমাদের উপর যে অত্যাচার আর মিথ্যে মামলার বোঝা চাপানো হয়েছিল, আজ তা থেকে মুক্তি মিলেছে। রাজ্যে সুশাসন এসেছে। আমরা মহাদেবের কাছে যে মানত করেছিলাম, আজ তা ভক্তিভরে পূরণ করলাম।"
শিপুর বাজারের কেশবেশ্বর জিউ মন্দিরে পুজো দিয়ে একযোগে ৫ জন কর্মী ও নেতা মস্তক মুণ্ডন করেন। নিজস্ব ছবি
নেড়া হওয়া বিজেপি কর্মীদের দাবি, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে তাঁদের উপর রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত একাধিক মিথ্যে মামলা চাপানো হয়েছিল। সেই চরম হেনস্থা ও কঠিন সময়ে তাঁরা কেশবেশ্বর জিউ শিবের মন্দিরে এসে মানত করেছিলেন, রাজ্যে যেদিন তৃণমূল সরকারের পতন ঘটবে এবং বিজেপি সরকার গঠন করবে, সেদিন তাঁরা মহাদেবের চরণে নিজেদের মাথার চুল উৎসর্গ করবেন। সেই মানত অনুযায়ী, সোমবার দুপুরে সাহাড়া অঞ্চলের শিপুর বাজারে জড়ো হন বিজেপি কর্মীরা। এরপর কেশবেশ্বর জিউ মন্দিরে পুজো দিয়ে একযোগে ৫ জন কর্মী ও নেতা মস্তক মুণ্ডন করেন। এলাকাবাসীর মত, রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর এধরনের অভিনব উদযাপন এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
এই কর্মসূচি প্রসঙ্গে এক বিজেপি কর্মী জানান, ‘‘তৃণমূল জমানায় দিনের পর দিন আমাদের উপর যে অত্যাচার আর মিথ্যে মামলার বোঝা চাপানো হয়েছিল, আজ তা থেকে মুক্তি মিলেছে। রাজ্যে সুশাসন এসেছে। আমরা মহাদেবের কাছে যে মানত করেছিলাম, আজ তা ভক্তিভরে পূরণ করলাম।" এই গণমুণ্ডন কর্মসূচি ঘিরে সোমবার শিপুর বাজার ও মন্দির চত্বরে স্থানীয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। মিথ্যে মামলা থেকে মুক্তি পেয়ে নিজেদের চুল উৎসর্গ করার বিষয়ে তাঁদের উৎসাহ দিয়েছেন সতীর্থরা।
