shono
Advertisement
Offbeat

গুগলের ৪ কোটির চাকরি ছেড়ে খোলেন রেস্তরাঁ, প্রাক্তন টেককর্মীর বর্তমান আয় জানলে চমকে যাবেন!

৪.২৫ কোটির টেক-চাকরি ছেড়ে এখন খাসির মাংসের ঝোল আর গরম গরম কাবাবেই মজেছেন তিনি! শুনতে অবাক লাগলেও, আমেরিকার টেক-দুনিয়ার এক ঝকঝকে কেরিয়ারকে স্রেফ বুড়ো আঙুল দেখিয়ে খোদ টেক্সাসে খুলে বসেছেন বার্বিকিউ রেস্তরাঁ। আর এই রেস্তরাঁ থেকেই বছরে যে আয়ের পরিমাণ, জানলে ভিরমি খাবেন আপনিও!
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 04:01 PM Jun 26, 2026Updated: 09:13 PM Jun 26, 2026

৪.২৫ কোটির টেক-চাকরি ছেড়ে এখন খাসির মাংসের ঝোল আর গরম গরম কাবাবেই মজেছেন তিনি! শুনতে অবাক লাগলেও, আমেরিকার টেক-দুনিয়ার এক ঝকঝকে কেরিয়ারকে স্রেফ বুড়ো আঙুল দেখিয়ে খোদ টেক্সাসে খুলে বসেছেন বার্বিকিউ রেস্তরাঁ। তাও আবার যে সে রেস্তরাঁ নয়, এক্কেবারে খাঁটি ‘হালাল বার্বিকিউ’!

Advertisement

মাইক্রোসফ্ট, গুগল, ইউটিউবের মতো বিশ্বখ্যাত সংস্থায় টানা ১৪ বছর কাটিয়েছেন বছর পঁয়ত্রিশের সালাহউদ্দিন আব্দুল-কাফি। মোটা মাইনে, চোখধাঁধানো জীবন। সবই ছিল হাতের মুঠোয়। কিন্তু বাঁধাধরা কর্পোরেট দুনিয়ায় দিনরাত শুধু টাকার অঙ্ক মেলানোর খেলা তাঁর আর ভালো লাগছিল না। মানুষের জীবনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কিছু করার তাগিদেই শেষমেশ ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্রান্সিসকোর মায়া ত্যাগ করেন তিনি। পাড়ি জমান টেক্সাসে। শুরুটা হয়েছিল বন্ধুদের জন্য উইকএন্ডে মাংস পোড়ানোর হাতযশ দিয়ে। সেই স্বাদ চেখে বন্ধুরা তো ধন্য ধন্য করলেনই, সঙ্গে সালাহউদ্দিনের মনেও গেঁথে দিলেন এক অভিনব ব্যবসার বীজ।

সালাহউদ্দিনের কথায়, রেস্তরাঁ শুরুর প্রাথমিক খরচই ছিল প্রায় সাড়ে আট কোটি টাকা। তা এখনও পুরোপুরি শোধ হয়নি। তা ছাড়া, প্রতি মাসে খাবারের কাঁচামাল, কর্মীদের বেতন এবং দোকানের ভাড়া মেটাতেই খরচ হয়ে যায় প্রায় দু’কোটি টাকার বেশি।

যেমন ভাবা, তেমন কাজ। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে টেক্সাসের মাটিতে পথ চলা শুরু করল ‘কাফি বার্বিকিউ’। মাত্র ৩ দিনের রসদ নিয়ে দোকান খুলেছিলেন সালাহউদ্দিন। কিন্তু বিধি বাম! টেক্সাসবাসীর রসনাতৃপ্তির চোটে প্রথম দিনেই সাফ হয়ে গেল সব খাবার। সেই রাত থেকেই আবার নতুন করে রান্নার তোড়জোড় শুরু করতে হল তাঁকে। দেখতে দেখতে সেই রেস্তরাঁই এখন টেক্সাসের খাদ্যরসিকদের অন্যতম সেরা ঠিকানা।

গত বছরই এই রেস্তরাঁ ব্যবসা থেকে আয় হয়েছে প্রায় ২১.৭ কোটি টাকা। চলতি বছরে সেই আয়ের অঙ্ক প্রায় ৩৭.৮ কোটি টাকা ছুঁয়ে ফেলবে বলে আশা করছেন সালাহউদ্দিন। তবে কোটি টাকার ব্যবসা হলেও, লাভের গুড় কিন্তু এখনও ঘরে তুলতে পারেননি এই প্রাক্তন টেক-বিশেষজ্ঞ। সালাহউদ্দিনের কথায়, রেস্তরাঁ শুরুর প্রাথমিক খরচই ছিল প্রায় সাড়ে আট কোটি টাকা। তা এখনও পুরোপুরি শোধ হয়নি। তা ছাড়া, প্রতি মাসে খাবারের কাঁচামাল, কর্মীদের বেতন এবং দোকানের ভাড়া মেটাতেই খরচ হয়ে যায় প্রায় দু’কোটি টাকার বেশি। ফলে কোটি টাকার ব্যবসা সামলালেও, সালাহউদ্দিন নিজে এখনও পকেটে পুরতে পারেননি একটি টাকাও। চলছেন নিজের জমানো পুঁজি সম্বল করেই। ল্যাপটপের কিবোর্ড ছেড়ে মাংসের ডেকচিতে মন দেওয়া এই বাঙালি-সুলভ খাদ্যপ্রেমী অবশ্য তাতেই খুশি। কোটি টাকার চাকরির চেয়ে টেক্সাসের সান্ধ্য আড্ডায় ধোঁয়া ওঠা বার্বিকিউয়ের সুবাসই যেন তাঁর জীবনের আসল তৃপ্তি!

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement