"রাগ কোরো না সোনা/ আমি কাটিয়েই দোনামনা/ একটা চুমু দিয়ে শুরু করে/ আর যাবে না গোনা", চলতি বছরেই জনপ্রিয় হয়েছে বাংলাব্যান্ড 'হুলিগানিজম'-এর এই প্রেমের গান। তেমন কাণ্ড এবার বাস্তবে ঘটে গেল! প্রেমিকের গাড়িতে অগুন্তি চুমু দিয়ে রঙিন ওষ্ঠের অভিনব ডিজাইন করে দিলেন প্রেমিকা। কিন্তু সমাজ বা রাষ্ট্র তো চিরকাল প্রেমবিরোধী। এক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হয়নি। সাদা গাড়িতে লাল লিপস্টিকের চুম্বন-চিহ্ন দেখে চালান কাটল পুলিশ। যদিও ওই গাড়ির ছবি ও ভিডিও ততক্ষণ ভাইরাল হয়ে গিয়েছে নেটপাড়ায়। প্রেমের অবাধ উদযাপন দেখে, চুমুর সংখ্যা জেনে অবাক নেটাগরিকরা। কী বলছে সংখ্যাতত্ত্ব?
জানা গিয়েছে, সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে প্রেমিকের সুইফট ডিজায়র গাড়িতে ৩৪০০টি চুমু খেয়েছে প্রেমিকা। এর জন্য ৮০০-৯০০ টাকার লিপস্টিক খরচ হয়েছে। যদিও প্রেমের আবেগ কিংবা লিপস্টিকের খরচকে পাত্তা দেয়নি মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রের ‘গোলা কা মন্দির’ ট্রাফিক থানার পুলিশ। চোখের সামনে আস্ত 'চুমুযান' দেখে বেজায় অবাক হন তারা। ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনের দরুণ গাড়িটিকে দাঁড় করানো হয়। শেষ গাড়িতে অগুন্তি চুম্বন চিহ্ন থাকার 'দোষে' ৫৫০০ টাকার চালান কাটে পুলিশ। পাশাপাশি গাড়ির মালিক আদিত্য শেখর নামের যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।
খানিক ঘাবড়ে গিয়ে আদিত্য জানায়, "আমার এক বান্ধবী এটা করেছিল। আমি গাড়িটি পার্ক করে অন্যত্র ছিলাম, তখনই সে ওই চিহ্নগুলো তৈরি করে। আমি ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি পোস্ট করেছিলাম"। মূল কারণ ছিল সোশাল মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ। "আমার বান্ধবী মনে হয়েছিল এমনটা করলে ভিডিওটি ভাইরাল হবে। সত্যিই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়।"
পুলিশ আটকানোর আগে ও পরে কৌতূহলী আমজনতাও ছবি ও ভিডিও তোলে 'চুম্বন গাড়ি'র। ফলে একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা গিয়েছে, গাড়ির দরজা, বনেট, বুট, পিলার-সবেতেই ঠোঁটের চিহ্ন। ফলে সাদা গাড়িটি যেন প্রেমিক শিল্পীর জীবন্ত ক্যানভাস হয়ে উঠেছে। ইনস্টাগ্রাম, এক্স হ্যান্ডেলে লক্ষ লক্ষ ভিউ হয়েছে গাড়ির ভিডিওর। সঙ্গে লাইক-কমেন্টের বন্যা বইছে।
