লজ্জার কমনওয়েলথ গেমস (Commonwealth Games 2026)। মাত্র একটি পদক। কোনওক্রমে পাকিস্তানের মুখরক্ষা করেছেন মহিলা বক্সার ফতিমা জাহরা৷ মহিলাদের ৬০ কেজি বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতেছেন তিনি। কিন্তু যে বক্সিং পাকিস্তানকে শূন্য হাতে ফেরা থেকে বাঁচাল, সেই বক্সিং রিংয়েই এবার যাবতীয় বিতর্ক। নিজের ইভেন্ট শেষ করে কমনওয়েলথ গেমস ভিলেজ থেকে নাকি নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন এক পাক বক্সার।
জানা গিয়েছে, গ্লাসগো গেমস শেষ হতেই রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গিয়েছেন পুরুষ বক্সার কুদরতুল্লা। পুরুষদের ৬০ কেজি বিভাগে অংশ নিয়েছিলেন এই পাক বক্সার৷ নিজের প্রতিযোগিতা শেষ করার পর থেকেই আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না কুদরতুল্লার। সবচেয়ে অবাক করা বিষয়, তাঁর পাসপোর্ট নাকি দলের ম্যানেজারের কাছেই ছিল। অর্থাৎ পাসপোর্ট না নিয়েই তিনি উধাও হয়ে গিয়েছেন। সব মিলিয়ে প্রবল অশান্তি পাক বক্সিংয়ে।
এই প্রথম নয়, অতীতেও একাধিকবার আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার সময় পাকিস্তানের একাধিক বক্সারের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। ২০২২ সালের বার্মিংহাম কমনওয়েলথ গেমসেও পাকিস্তানের দুই বক্সার সুলেমান বালোচ ও নজিরুল্লা খান নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন। তখনও নাকি একইরকমভাবে তাঁদের পাসপোর্ট ছিল বক্সিং কর্তাদের কাছে। ২০২৪ সালে ইতালির বুস্তো আরসিজিও-তে অলিম্পিক্সে বক্সিং যোগ্যতা অর্জন প্রতিযোগিতার সময়ও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন এশিয়ান স্বর্ণপদকজয়ী জোহাইব রশিদ। সেসময় তাঁর বিরুদ্ধে বিদেশি মুদ্রা চুরির অভিযোগ ওঠে।
এখন কুদরতুল্লা কেন উধাও হলেন সেটা তদন্তসাপেক্ষ। তবে তাঁর এই নিখোঁজ হয়ে যাওয়া পাক বক্সিংয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিল। সবচেয়ে বড় ব্যাপার এর ফলে চাপা পড়ে গেল ফতিমা জাহরার সাফল্য। প্রথম পাক মহিলা বক্সার হিসাবে কমনওয়েলথ গেমসে পদক জিতেছেন তিনি। কিন্তু পাকিস্তানে এখন সব আলোচনা শুধুই কুদরতুল্লাকে ঘিরে।
