২৭ আগস্ট জাতীয় ক্রীড়া দিবস। সেই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশব্যাপী তরুণ ও উঠতি ক্রীড়াবিদদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। যে অনুষ্ঠানের নাম 'খেলো ইন্ডিয়া ডায়লগ- খেল কি বাত, প্রধানমন্ত্রী মোদি কে সাথ।' প্রথমে মোদির ভার্চুয়ালের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হবে। তারপর দেশজুড়ে ১৫০০-এরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃহৎ কর্মসূচি আয়োজন করা হবে।
কেন হঠাৎ যুব ক্রীড়াবিদদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন মোদি? মূলত চারটি বিষয়ের উপর তিনি জোর দেবেন। একেবারে তৃণমূল স্তরে পরিকাঠামো তৈরি করা, বৈজ্ঞানিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেওয়া, ভারতের সার্বিক ক্রীড়া পরিমণ্ডলের মানোন্নয়ন ও ২০৩৬-র অলিম্পিকের জন্য উপযুক্ত প্রতিভা আবিষ্কার করা। যে অলিম্পিক ভারতে করতে চায় মোদি সরকার। এছাড়া তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ানুরাগী করে তুলে উন্নততর জাতি গঠনের চেষ্টার উদ্দেশেও ভাষণ দেবেন মোদি।
এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আইআইটি, আইআইএম, এনআইটি, এইমস এবং শীর্ষস্থানীয় মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থাকবে। কর্মসূচিগুলিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী, সাংসদ ও বিভিন্ন রাজ্যের বিধায়করা উপস্থিত থাকবেন। এর সঙ্গে দীপা কর্মকার, সাইনা নেহওয়াল, গগন নারাং, শ্রীজেশ, মেরি কম, বাইচুং ভুটিয়া, মীরাবাই চানু, পিটি ঊষার মতো ক্রীড়াবিদরা থাকবেন। সেখানে তাঁরা তরুণ অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে তাঁদের ক্রীড়াজীবন, অভিজ্ঞতা ও সমস্যার কথা তুলে ধরবেন।
উল্লেখ্য, ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে ভাষণেও অলিম্পিক নিয়ে 'জেন আলফা'কে বার্তা দিয়েছিলেন। অলিম্পিকে যতরকম খেলা হয়, তার প্রায় তিন-চতুর্থাংশে ভারতীয়রা প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করেন না। সেই ‘দুর্বলতা’ ঘোচাতে এখন থেকেই ‘জেন আলফা’দের ডাক দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এখন যাদের ৫-১৫ বছর বয়স, তাদের তৈরি হতে বলেন তিনি। যাতে ২০৩৬-র মধ্যে তারা অলিম্পিকে খেলার যোগ্য হয়ে ওঠে।
