সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: গা ঢাকা দিয়েও শেষরক্ষা হল না। পানাগড় কাণ্ডের ৪ দিনের মাথায় গ্রেপ্তার মূল অভিযুক্ত বাবলু যাদব। পরিবারের সদস্যদের জেরা করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে কাঁকসা থানার পুলিশ। এখনও বেপাত্তা তাঁর তিন সঙ্গী। তাঁদের খোঁজে চলছে তল্লাশি। এদিকে ধৃতের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছে মৃতার মা তনুশ্রী চট্টোপাধ্যায়।

পানাগড় কাণ্ডে তরুণীর মৃত্যুর পরই জানা গিয়েছিল একটি সাদা গাড়ির কথা। অভিযোগ ছিল, ওই গাড়িতে থাকা যুবকরাই নাকি উত্যক্ত করছিল মৃত সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়কে। ইভটিজারদের হাত থেকে বাঁচতেই প্রাণ খোয়াতে হয়েছে তরুণীকে। ঘটনার ৪ দিন পর অভিযুক্তদের সাদা ‘ক্রেটা’ গাড়ির মালিক বাবলু যাদবকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ঘটনার দিন চালকের আসনে ছিলেন বাবলুই।
কে এই বাবলু? গাড়ির পুরনো যন্ত্রাংশের ব্যবসায়ী ওই যুবক। স্থানীয় কাওয়ারি বাজারে এলাকা ব্য়বসা রয়েছে তাঁর। এলাকায় প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত। জানা যাচ্ছে, কিছুদিন আগে তাঁর এক কর্মী দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি তিনি। রবিবার রাতে তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন বাবলু যাদব। সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহকর্মীরা। পুলিশের দাবি, ফেরার পথেই নাকি সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়ের গাড়ির সঙ্গে রেষারেষি শুরু হয় বাবলুর গাড়ির। তারপর রাইস মিল মোড়ের কাছে ধৃতের গাড়ি দাঁড় করিয়ে আরোহীদের মারধর করে সুতন্দ্রার গাড়ির আরোহীরা। এমনকী, গাড়ির চাবি কেড়ে নেয়। এদিকে সুতন্দ্রার গাড়ির চালকের দাবি, ওই সাদা গাড়িতে থাকা যুবকেরাই ইভটিজিং করছিল মৃতাকে।