Advertisement
ঋণের প্রয়োজন? নামমাত্র সুদে মিলবে PPF অ্যাকাউন্ট থেকেই, জেনে নিন খুঁটিনাটি
কীভাবে আবেদন করবেন? কত টাকা ঋণ পাবেন?
নিরাপদ ভবিষ্যতের লক্ষ্যে ঝুঁকিহীন সঞ্চয়ের অন্যতম পথ পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড বা পিপিএফ। সরকারি-বেসরকারি ব্যাঙ্ক এবং ডাকঘরে চলা ওই কেন্দ্রীয় প্রকল্পে মাসিক নির্দিষ্ট একটি অঙ্কে বিনিয়োগ করে লক্ষ লক্ষ টাকা জমাতে পারেন গ্রাহকরা। এতে লগ্নি বাজারগত ঝুঁকি সাপেক্ষ নয়। তবে সুদের হার ওঠানামা করতে পারে। বর্তমানে সেটা ৭.১ শতাংশে স্থির রয়েছে।
পিপিএফের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এই প্রকল্প বাজারের ঝুঁকির উপর নির্ভর করে না। নিশ্চিত রিটার্নের ক্ষেত্রে গ্যারান্টার খোদ সরকার। তবে পিপিএফের সবচেয়ে বড় সমস্যা এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করলে ৬ বছরের আগে সেই টাকা তোলা যায় না। ৬ বছর বাদে টাকা তোলা যায় আংশিকভাবে। প্রশ্ন হল, এর মধ্যে যদি হঠাৎ আপনার টাকার দরকার পড়ে তাহলে কী হবে?
কুছ পরোয়া নেই। পিপিএফ হয়তো মেয়াদ শেষের আগে টাকা তুলতে দেয় না। তবে বিনিয়োগ শুরুর দু'বছর পর থেকে আপনি পিপিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে স্বল্প সুদে ঋণ নিতে পারবেন। নিয়ম বলছে, আপনি পিপিএফ অ্যাকাউন্টে টাকা জমানো শুরু করার দু'বছর পর থেকে ৬ বছর পর্যন্ত ওই অ্যাকাউন্টে গচ্ছিত টাকার উপর ঋণ নেওয়া যেতে পারে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল পিপিএফের ঋণ সুদ অন্যান্য ঋণের তুলনায় অনেকটাই কম।
নিয়ম অনুযায়ী, পিপিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে ৩৬ মাসের মেয়াদে ঋণ নেওয়া যায়। আপনার বিনিয়োগের দ্বিতীয় বছর থেকে ষষ্ঠ বছর পর্যন্ত অ্যাকাউন্টে গচ্ছিত টাকার ২৫ শতাংশ পর্যন্ত আপনি ঋণ হিসাবে পেতে পারেন। আবেদন করার প্রক্রিয়াতেও জটিলতা নেই। ব্যাঙ্কের যে শাখা বা পোস্ট অফিসে আপনি পিপিএফ অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন সেই ব্র্যাঞ্চে একটি সাধারণ ফর্ম ফিল আপ করে জমা দিলেই ঋণে অনুমোদন পেয়ে যাবেন। কাগজপত্রের বিশেষ ঝামেলা নেই।
পিপিএফ অ্যাকাউন্টে সুদের হার তুলনায় অনেকটা কম। আপনি যে সময় ঋণ নিচ্ছেন সেই সময় পিপিএফ আপনার গচ্ছিত অর্থের জন্য যে হারে সুদ দিচ্ছে, সেটার চেয়ে মাত্র ১ শতাংশ বেশি সুদে আপনি ঋণ পেতে পারেন। বর্তমান হিসাব ধরলে এই মুহূর্তে পিপিএফে সুদের হার ৭.১ শতাংশ। অর্থাৎ আপনি ঋণ পেতে পারেন ৮.১ শতাংশ হারে। পার্সোনাল লোন বা অন্যান্য ঋণের তুলনায় অনেকটা কম।
ঋণ নেওয়ার ৩৬ মাসের মধ্যে আপনাকে সেটা শোধ করতে হবে। যদি ৩৬ মাসের মধ্যে আপনি ঋণ শোধ করতে না পারেন, তাহলে পিপিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে প্রাপ্ত সুদের হার একধাক্কায় কমে ৬ শতাংশ করে দেওয়া হবে। অর্থাৎ আপনি বর্তমান হিসাবে যে ৭.১ শতাংশ হারে সুদ পান, সেটার বদলে আপনি সুদ পাবেন ৬ শতাংশ হারে। অর্থাৎ সেক্ষেত্রে আর্থিকভাবে বেশি খানিকটা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তিনি।
Published By: Subhajit MandalPosted: 05:25 PM Aug 22, 2026Updated: 07:29 PM Aug 22, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
