Advertisement
'ধুরন্ধর' অভিনেতাদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী কে? কোন অভিনেতার সম্পত্তির পরিমাণই বা কত
বক্স অফিসে দৌড়চ্ছে 'ধুরন্ধর ২'। বহু রেকর্ড এই ছবি ভেঙে দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে 'ধুরন্ধর ২'। আদিত্য ধরের অ্যাকশন থ্রিলারের প্রথম পর্ব ব্যাপক সাফল্য পেয়েছিল গত ডিসেম্বরে। এবার ছবির পরের পর্বও সাফল্যের রথ ছোটাতে শুরু করেছে। নিঃসন্দেহে প্রথমটির মতোই দ্বিতীয় ছবিটিও বিপুল উপার্জন করতে চলেছে। কিন্তু জানেন কি, 'ধুরন্ধর'-এর প্রধান অভিনেতাদের কার কত সম্পত্তি? সবচেয়ে ধনীই বা কে।
অর্জুন রামপাল, সঞ্জয় দত্ত, আর মাধবন এবং রণবীর সিং- ছবির সিক্যুয়েলের অন্যতম চার মুখ। এঁদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী অভিনেতা রণবীর সিং। তালিকায় এরপরই সঞ্জয় দত্ত। তারপর রয়েছেন অর্জুন রামপাল (তবে সঠিক তথ্য নিয়ে মতান্তর রয়েছে)। শেষে আর মাধবন। আসুন, দেখে নেওয়া যাক কে কত সম্পত্তির মালিক। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে সেই হিসেব দেওয়া হল।
বলিউডে এই মুহূর্তে 'হায়েস্ট পেড' তারকাদের মধ্যে অন্যতম রণবীর সিং। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা ভারতীয় মুদ্রায় ৪০০ কোটি টাকা। বিজ্ঞাপন বাবদ ৩ থেকে ৫ কোটি নেন তিনি। সোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করতে নেন ৮০ লক্ষ টাকা।
সঞ্জয় দত্তের মোট সম্পদের পরিমাণ ২৯৫ কোটি টাকা। তাঁর আয়ের উৎস কেবল সিনেমা, বলিউড বা চলচ্চিত্র শিল্পের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং তা এর গণ্ডি ছাড়িয়ে বহুদূর বিস্তৃত। এই অভিনেতার মালিকানায় রয়েছে দুটি প্রযোজনা সংস্থা এবং দুটি ক্রিকেট দল। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন স্টার্টআপও চালান। এর মধ্যে একটি সুপরিচিত মদের ব্র্যান্ডও রয়েছে। নানা ব্যবসায়িক উদ্যোগে অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে বিনিয়োগ করেছেন তিনি।
অর্জুন রামপালের সম্পত্তির পরিমাণ সম্পর্কে নানা তথ্য মেলে। এক সংবাদমাধ্যমের দাবি তাঁর মোট সম্পত্তি ৩৫০ কোটি টাকা। যদিও আরেক সংবাদমাধ্যমের দাবি, তা মাত্র ১৩০ কোটি! তিনি অভিনয়ের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন তো করেনই। একই সঙ্গে মডেলিং ও বিভিন্ন বিজনেস মডিউলের সঙ্গেও যুক্ত তিনি।
অন্যদিকে আর মাধবনের মোট সম্পদের পরিমাণ ১১৫ কোটি। একসময় টিভি সিরিয়ালে অভিনয়ের মাধ্যমে যাঁর অভিনয়ের জগতে পা রাখা, তিনি পরবর্তী সময়ে চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে তুমুল সাফল্য লাভ করেছেন। পাশাপাশি চলচ্চিত্রের কাহিনিকার, প্রযোজক হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।
'ধুরন্ধর' ছবিতে কাজ করার জন্য এই অভিনেতারা প্রত্যেকেই বড় দর হাঁকিয়েছেন। হামজা আলি মাজারির চরিত্রে রণবীর পেয়েছিলেন পঞ্চাশ কোটি টাকা। রহমান ডাকাইত'-এর চরিত্রে অক্ষয় খান্না নাকি নিয়েছেন আড়াই কোটি টাকা। এসপি চৌধুরী আসলামের চরিত্রে সঞ্জয় দত্ত নিয়েছেন দশ কোটি টাকা। আর মাধবন (চরিত্রের নাম অজয় সান্যাল) পেয়েছেন ন'কোটি টাকা। আর অর্জুন রামপাল নিয়েছেন এক কোটি টাকা।
'ধুরন্ধর'-এর দু'টি পর্বে রণবীরের বিপরীতে দেখা গিয়েছে অভিনেত্রী সারা অর্জুনকে। এই ছবির জন্য অভিনেত্রী এক কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। তাঁর উপস্থিতি ছবির 'ভায়োলেন্স'-এর মাঝে একঝলক ঠান্ডা হাওয়ার স্নিগ্ধতা দিয়েছে দর্শকদের।
কেবল অভিনেতারাই নন, এই ছবিতে দারুণ পারিশ্রমিক পেয়েছেন প্রায় সকলেই। বেশ কয়েকটি পুরনো গানকে নতুন করে প্রয়োগ করে চমকে দিয়েছিলেন নির্মাতারা। যার অন্যতম ‘হাওয়া হাওয়া’। পাকিস্তানি শিল্পী হাসান জাহাঙ্গিরকে এই গান ব্যবহারের জন্য ৫০ হাজার মার্কিন ডলার দেওয়া হয়। যা ভারতীয় মুদ্রায় ৪৬ লক্ষ টাকার সামান্য বেশি।
‘ধুরন্ধর’-এর সাফল্য আশা জাগিয়েছিল। আর সেই আশাকে মান্যতা দিয়ে মাত্র দু’দিনে বিশ্বজুড়ে ৩৩৩ কোটির ব্যবসা করে ভারতের সিনে ইতিহাসে নতুন মাইলস্টোন গড়ে ফেলেছে আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর ২’। আগামিদিনে তা আরও নজির গড়বে। এই সাফল্যের আলোয় ছবির কুশীলবদের বাজারদরও বাড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। ফলে আগামিদিনে তাঁদের সম্পত্তির পরিমাণ যে ফুলেফেঁপে আরও বাড়বে, তাতে নিশ্চিত ওয়াকিবহাল মহল।
Published By: Biswadip DeyPosted: 05:03 PM Mar 22, 2026Updated: 05:06 PM Mar 22, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
