Advertisement
প্রথমবার ট্রফি ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ, কতটা প্রস্তুত বিরাটরা, একনজরে আরসিবি'র শক্তি-দুর্বলতা
উদ্বোধনী ম্যাচে আরসিবি'র সামনে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।
আইপিএলের ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। ২৮ মার্চ থেকে শুরু কোটি টাকার লিগ। মিনি নিলামের পর কেমন হল কোন দল? কারা বেশি শক্তিশালী? একনজরে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির শক্তি বা দুর্বলতা? আজ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।
দুনিয়ার সেরা ক্রিকেটাররা খেলেছেন আরসিবি-তে। তিনবার ফাইনাল খেলেও ফিরতে হয়েছে খালি হাতে ফিরলেও ১৭ বছরের ট্রফিখরা কাটিয়ে অবশেষে কাঙ্ক্ষিত আইপিএল শিরোপা জিতে নিয়েছে আরসিবি। এই প্রথমবার ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসাবে মাঠে নামবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। ২৮ মার্চ, উদ্বোধনী ম্যাচে তাদের সামনে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।
স্কোয়াড: রজত পাতিদার (অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, ফিল সল্ট, যশ দয়াল, টিম ডেভিড, জ্যাকব বেথেল, রোমারিও শেফার্ড, জশ হ্যাজেলউড, নুয়ান থুসারা, দেবদূত পাড়িক্কাল, জিতেশ শর্মা, ক্রুণাল পাণ্ডিয়া, রশিখ দার, ভুবনেশ্বর কুমার, জর্ডান কক্স, সুয়শ শর্মা, ভেঙ্কটেশ আইয়ার, স্বপ্নিল সিং, জ্যাকব ডাফি, কণিষ্ক চৌহান, অভিনন্দন সিং, মঙ্গেশ যাদব, সাত্ত্বিক দেশওয়াল, ভিকি ওস্টওয়াল, বিহান মালহোত্রা।
শক্তি ১: বেঙ্গালুরুর বড় ভরসা তাদের ব্যাটিং লাইন আপ। চিন্নাস্বামীর ছোট-পাটা মাঠে ব্যাটারদের যেমন দাপট থাকে, তেমনই বরাবরই ভুগিয়ে এসেছে বোলিং বিভাগ। মোট কথা, টিমে ভারসাম্যের অভাব থাকে। এবার আইপিএল জিততে সেই সমস্যার সমাধান খুঁজেছে আরসিবি। বিরাট কোহলি তো রয়েছেনই, তাঁর সঙ্গে নামবেন মারকুটে ব্যাটার ফিল সল্ট।
শক্তি ২: মিডল অর্ডারে রজত পাতিদার, টিম ডেভেডের উপস্থিতিতে ব্যাটিং অর্ডার আরও দাপুটে। দলে ভেঙ্কটেশ আইয়ার যোগ হওয়ায় ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংয়েও মিলছে বাড়তি বিকল্প।
শক্তি ৩: আইপিএলের নতুন মরশুমে বোলিং বিভাগে ভরসা জোগাতে পারেন জশ হ্যাজেলউড, ভুবনেশ্বর কুমার। পাশাপাশি ক্রুণাল পাণ্ডিয়া ও রোমারিও শেফার্ডের অলরাউন্ড দক্ষতা দলকে ভারসাম্য জোগাতে পারে। তাছাড়াও বোলিং বিভাগে যশ দয়ালকে রিটেইন করেছে তারা।
দুর্বলতা ১: কাগজে-কলমে শক্তিশালী দল হলেও বোলিং আক্রমণে চোটের আশঙ্কা বড় উদ্বেগ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে হ্যাজেলউডের ফিটনেস বারবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে। অন্যদিকে, যশ দয়ালের ম্যাচ প্র্যাকটিসের অভাবও দলকে ভাবাচ্ছে।
দুর্বলতা ২: প্রথম সারির পেসাররা অনুপস্থিত থাকলে সমস্যায় পড়তে পারে দল। কারণ ব্যাকআপ হিসাবে থাকা বোলারদের আইপিএল অভিজ্ঞতা তুলনামূলকভাবে কম। ফলে চাপের ম্যাচে বোলিং আক্রমণের ধার কমে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।
স্পিন বিভাগেও রয়েছে অভিজ্ঞতার অভাব। ক্রুণালের মতো অলরাউন্ডাররা থাকলেও স্পেশালিস্ট স্পিনার হিসেবে একমাত্র রয়েছেন সুয়শ শর্মা। গত মরশুমে তিনি ১৪ ম্যাচে নিয়েছিলেন মাত্র ৮ উইকেট। গড় ৫৫.২৫। অর্থাৎ নির্ভরযোগ্য স্পিন বিকল্পের অভাব ধীরগতির পিচে দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
Published By: Prasenjit DuttaPosted: 08:30 PM Mar 21, 2026Updated: 08:30 PM Mar 21, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
