Advertisement
পুরী থেকে মাহেশ, জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রার বিশেষ আয়োজন, দিকে দিকে ভক্তের ঢল
শুরু হয়ে গেল রথযাত্রার কাউন্টডাউন। জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা ঘিরে দিকে দিকে উৎসবের আমেজ।
জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমার পুণ্যতিথিতে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে মহাপ্রভু জগন্নাথ দেবের পবিত্র স্নানযাত্রা। জগন্নাথধাম পুরীতে সকাল থেকেই হাজার হাজার ভক্তের সমাগম। সকাল থেকেই মন্দিরের বাইরে মঞ্চে জগন্নাথ-বলরাম-শুভদ্রার বিগ্রহ বসানো হয়েছে, নিয়ম রীতি মেনেই হচ্ছে স্নানযাত্রার পুজোপাঠ। বিশৃঙ্খলা এড়াতে সতর্ক পুলিশ প্রশাসন। এই বিশেষ দিনে পুরীতে উপস্থিত হয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে সোমবার ভক্তি, আচার ও ঐতিহ্যের আবহে পালিত হচ্ছে ভগবান জগন্নাথ, বলভদ্র ও দেবী সুভদ্রার পবিত্র স্নানযাত্রা উৎসব। দিঘার মূল মন্দিরের পাশে তৈরি মণ্ডপে স্নানযাত্রা আচার পালন। মণ্ডপে বিশেষ বেদিতে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার দারুমূর্তিকে ধর্মীয় রীতি মেনে দুধ ও নানা উপচার মিশ্রিত জলে স্নান করানো হবে। স্নানযাত্রার পর প্রভুকে সাজানো হয়েছে গজবেশে। নিবেদন করা হয়েছে ৫৬ ভোগ।
মাহেশে ৬৩০ বছরের প্রাচীন প্রভু জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা উৎসব। প্রভুকে ২৮ ঘরা গঙ্গাজল এবং কয়েক লিটার দুধ দিয়ে স্নান করানো হয়। মাহেশ জগন্নাথদেব ট্রাস্টি বোর্ডের সম্পাদক পিয়াল কৃষ্ণ অধিকারী জানান, "এদিন প্রভুকে স্থানের পূর্বে ভারতবর্ষের বিভিন্ন নদীর জল দিয়ে সারা অঙ্গ লেপন করা হয়। স্নানের পর প্রভু জগন্নাথ বলরাম এবং সুভদ্রাকে গজবেশে সজ্জিত করা হয়। এদিন রাত সাড়ে ন'টায় প্রভুকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় মূল মন্দিরে। বন্ধ হয়ে যায় মন্দিরের দরজা।
জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হল মায়াপুরের ইসকনের রাজাপুর জগন্নাথ মন্দিরে স্নানযাত্রা মহোৎসব। দিনভর মন্দিরে হরিনাম সংকীর্তন, গীতা পাঠ, বিশেষ ভোগ নিবেদন, মহাপ্রসাদ বিতরণ এবং বিভিন্ন বৈষ্ণব ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মায়াপুরের এই স্নানযাত্রা উপলক্ষে ভারত-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ভক্তদের উপস্থিতিতে আন্তর্জাতিক ভক্তিসাধনার এক অনন্য পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
দুর্গাপুরের ইসকন মন্দিরে মহাসমারোহে পালিত হল মহাপ্রভু জগন্নাথদেবের ঐতিহ্যবাহী স্নানযাত্রা মহোৎসব। ভোর থেকেই মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের ঢল। সকাল থেকে হাজার হাজার ভক্ত দূর-দূরান্ত থেকে এসে উপস্থিত হন মহাপ্রভুর দর্শনে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান মেনে স্নানবেদিতে বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করে পবিত্র জল, চন্দন, সুগন্ধি দ্রব্য ও বিভিন্ন উপাচারে মহাস্নান করানো হয়। প্রতি বছরের মতো এবারও দুর্গাপুর ইসকন মন্দিরে ভক্ত সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো।
Published By: Arpita MondalPosted: 01:03 PM Jun 29, 2026Updated: 01:03 PM Jun 29, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
