Advertisement
'লাবুবু' জ্বরে কাবু মিমি-ঋতাভরী, জানেন, অদ্ভুত দর্শন পুতুলের জন্মকথা? দামই বা কত!
অদ্ভুত দর্শন পুতুলেই মন মজেছে সকলের।
যার নাম 'লাবুবু'। পুতুলটি তৈরি করেছেন হংকংয়ের শিল্পী কাসিং লুং। ২০১৯ সালে চিনের খেলনা প্রস্তুতকারক সংস্থা 'পপমার্ট' এই পুতুল বাজারে বিক্রি শুরু করে। চিনের বাজার ছেয়ে যায় পুতুলটি।
'লাবুবু' অবশ্য একটিমাত্র পুতুল নয়। বাজারে কমপক্ষে ৩০০টি ভিন্ন ভিন্ন ধরনের 'লাবুবু' পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘লাবুবু ইনটু এনার্জি’, ‘ফল ইন ওয়াইল্ড’, ‘টাইম টু চিল’, ‘লেটস চেকমেট সিরিজ়, ‘ম্যাকারন’, ‘প্যাস্টেল কালার’। যাদের একসঙ্গে বলা হয় 'দ্য মনস্টার্স'।
চিনের বাজারে প্রথমদিকে 'লাবুবু'র দাম ছিল কমপক্ষে ৪০ হাজার টাকা। 'লাবুবু' সিরিজের প্রতিটি পুতুলের দাম অবশ্য আলাদা আলাদা। অনলাইনেও পাওয়া যায় এই ধরনের পুতুল।
জেন জি-র কাছে এই পুতুল অত্যন্ত জনপ্রিয়। অল্প কয়েকদিনের মধ্যে ভারতে জনপ্রিয়তা পায় 'লাবুবু'। কেউ কেউ বাড়িতে রাখছেন। আবার কেউ কেউ তা ব্যাগে চাবির রিং হিসাবে কাজে লাগাচ্ছেন।
তবে চাইলে যে সিরিজ চাইছেন, সেটা পাওয়া কঠিন। কারণ, প্রতিটি পুতুল আসে 'ব্লাইন্ড বক্সে'। ওই বাক্স খোলার পর জানা যায় 'লাবুবু'র কোন সিরিজ পেলেন আপনি।
সিনে তারকাদেরও মন কেড়েছে 'লাবুবু'। কিম-রিহানারা ব্যাগের চেনে লাগিয়েছেন এই অদ্ভূত দর্শন পুতুল। আবার বি-টাউনের অনন্যা পাণ্ডেরও মন কেড়েছে সে।
বাদ যায়নি টলিপাড়াও। মিমি থেকে ঋতাভরী - সকলেই 'লাবুবু' জ্বরে কাত। ইনস্টাগ্রাম নিজেই এই পুতুলের ছবি শেয়ার করেছেন মিমি।
ঋতাভরী অবশ্য বরাবরই পুতুল সংগ্রহ করতে ভালোবাসেন। তাঁর কাছে 'পপ মার্ট'-এর অজস্র পুতুল রয়েছে। তবে সম্প্রতি 'লাবুবু' জনপ্রিয়তা পেয়েছে বলেই মত অভিনেত্রীর।
সাধারণত যখন ভারত বিদেশ সফরে যায়, তখন বিসিসিআই একটি ছোট বিদায়ী অনুষ্ঠান করে। ৮৩-তে তেমন কিছুই ঘটেনি। তবে ভারতীয় দল সান্তাক্রুজ বিমানবন্দরে আটকে পড়ে। বেশিরভাগ খেলোয়াড়ের লাগেজের ওজন ছিল বেশি। আসলে অনেক ক্রিকেটারই ইংল্যান্ডে বন্ধুদের জন্য আম নিয়ে যাচ্ছিলেন। তা অনাবশ্যক জিনিস নিয়ে গেলে তো তার মাশুল চোকাতে হবে জরিমানা ভরে। কিন্তু মান সিং বা ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের কাছে অত টাকা ছিল না। মান সিং বিমানবন্দর কর্মীদের বুঝিয়ে বলেন, সময়মতো ঠিক ‘ধার’ ফেরত দিয়ে দেবেন। সম্ভবত, প্রথমবারের মতো ভারতীয় দলের একজন ম্যানেজার বিদেশ সফরে দলের নিরামিষাশী খেলোয়াড়দের খাবারের ব্যবস্থা করেছিলেন। যদিও ৮৩-র বিশ্বকাপের ভারতীয় দলকে নিয়ে তেমন একটা উৎসাহ ছিল না কারওরই। তবে, উইজডেন ক্রিকেট মান্থলির সম্পাদক ডেভিড ফ্রিথকে কথা (পড়ুন কাগজ) গিলে খেতে হয়েছিল। একটা সময় তিনি লিখেছিলন, "একদিনের ম্যাচের জন্য প্রস্তুত না হওয়া অবধি কোনও বিশ্বকাপ খেলা উচিত নয় ভারতের।" এখানেই শেষ নয়, একটা সময় তিনি বলেছিলেন, এই ভারত বিশ্বকাপ জিতলে তাঁর নিবন্ধের প্রকাশিত কপি গিলে ফেলবেন। তবে, বিশ্বকাপ জেতার পরে তাঁকে এহেন ফ্রিথকে একটি চিঠি লিখেছিলেন মান সিং। সেই চিঠিতে ডেভিড ফ্রিথের পুরনো নিবন্ধটি উদ্ধৃত করে তাঁর কথা গিলে ফেলার জন্য চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল। মান সিং লেখেন, "আপনার কথা আপনাকেই গিলতে হবে। প্রয়োজনে উপরে চকোলেট ছড়িয়ে মদ দিয়ে গিলে নিন।’ ফ্রিথ পরবর্তীতে এই প্রসঙ্গে লেখেন, "আমি জানতাম নিউজপ্রিন্ট খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে মোটেও ভালো হবে না। কিন্তু আমি তাতে রাজি হয়েছিলাম। লর্ডসের প্রেস বক্সে বসেছিলাম। আমার এক হাতে রেড ওয়াইনের গ্লাস আর অন্য হাতে আমার নিবন্ধের প্রকাশিত কপি, যা ধীরে ধীরে গিলে ফেললাম।’
Published By: Sayani SenPosted: 04:24 PM Jun 25, 2025Updated: 05:17 PM Jun 25, 2025
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
