Advertisement
নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের শাপমুক্তি, বিশ্বকাপে কে কোন পুরস্কার পেলেন? ছবিতে সেরা মুহূর্ত
সোশাল মিডিয়ায় কাউকে জবাব দিতে বাধ্য নই, বিশ্বজয়ের পর বিস্ফোরক কোচ গম্ভীর।
ইতিহাস গড়ল, ইতিহাস ফেরাল। পালটাল ইতিহাসও। ফের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ভারতের মাথায়। ফাইনালে একতরফা ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে উড়িয়ে আবারও বিশ্বসেরা টিম ইন্ডিয়া।
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের কোনা দিয়ে সূর্যোদয়ের আলোয় ভেসে যাচ্ছে সমগ্র ভারতবাসী। যে স্টেডিয়াম ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে দুঃখের স্মৃতি উপহার দিয়েছিল, সেখানেই ইতিহাস পালটালেন সূর্যকুমার যাদবরা। প্রায় আড়াই বছর পর ঘুচল আহমেদাবাদের ‘অপয়া’ কলঙ্ক।
২০২৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে হার। চলতি বিশ্বকাপেও সুপার এইটের ম্যাচে হার। গত ৪টি আইসিসি টুর্নামেন্টে ভারত দু'টো ম্যাচই হেরেছে। আর সেই দুটিই আহমেদাবাদে। এই দু'টির মধ্যে আবার একটির সাক্ষী থেকেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ফাইনালে তিনি ছিলেন না। তবে তাঁর বিশ্বস্ত সেনাপতি অমিত শাহ ছিলেন। ভারতের জয় দেখলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
আহমেদাবাদের এই শাপমুক্তিতে একের পর এক ইতিহাস গড়ল ভারত। এই প্রথম কোনও দল ৩বার টি-২০ বিশ্বকাপ জিতল। এই প্রথম কোনও দল পরপর দু'বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হল। এই প্রথম কোনও দল ঘরের মাঠে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।
এই রেকর্ডের ফুলঝুরিই বলে দিচ্ছে, টুর্নামেন্টের সেরাদের পুরস্কারেও দাপট টিম ইন্ডিয়ার। আসলে চ্যাম্পিয়ন দলের প্রত্যেককে চ্যাম্পিয়নের মতোই খেলতে হয়। টিম ইন্ডিয়ার প্রত্যেকেই খেলেছেন চ্যাম্পিয়নের মতো। প্রত্যেকের অবদানই মনে রাখার মতো।
সঞ্জু স্যামসন। ভারতীয় ক্রিকেটে বঞ্চনার আরেক নাম। প্রতিভা পাহাড়প্রমাণ। তুলনায় সুযোগ পেয়েছেন অনেক কম। বিশ্বকাপের আগে ফর্মে ছিলেন না। ওই সময়টায় নানান উত্থান-পতনের সাক্ষী ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে মরণ-বাঁচন ম্যাচে নিজের সেরাটা দিলেন। তারপর সেমিফাইনাল, তারপর ফাইনাল। ৫ ম্যাচেই ভারতের সর্বোচ্চ স্কোরার তিনি। যোগ্য হিসাবেই টুর্নামেন্টের সেরা হয়েছেন কেরলমের যুবক।
ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট হওয়ার পর স্যামসন বলছিলেন, “নিউজিল্যান্ড সিরিজের পর মনে হয়েছিল সবটা শেষ। আমার কেরিয়ার শেষ, আমার স্বপ্ন শেষ। ওই কঠিন সময়ে অনেকে আমাকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছেন। অনেক সিনিয়র ক্রিকেটারের সঙ্গে কথা বলেছি। শচীন স্যর সাহায্য করেছেন। তারপরই কামব্যাক।”
এই আহমেদাবাদেই ২০২৩ সালে হৃদয়ভঙ্গ হয়েছিল ভারতের। সেই ম্যাচে ভারতীয় দলের অংশ ছিলেন জশপ্রীত বুমরাহ। সেই যন্ত্রণা আজও বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। ফাইনালে ম্যাচের সেরা হয়ে সেই যন্ত্রণার কথা শোনা গেল বুমরাহর মুখেও। তিনি বলছিলেন, “এখানে একটা ফাইনাল হেরেছি। আমি সেই দলের অংশ ছিলাম। আজ ফাইনালে ম্যাচের সেরা হতে পারে খুব ভালো লাগছে।”
বরুণ চক্রবর্তীকে নিয়ে সমালোচনা কম হয়নি। সুপার এইটের পর বাস্তবিকই তাঁর পারফরম্যান্স গ্রাফ নেমেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও যুগ্মভাবে বিশ্বকাপের সর্বাধিক উইকেটসংগ্রাহক তিনি। আরেকটা নাম জশপ্রীত বুমরাহর। দু'জনেই পেয়েছেন ১৪টি করে উইকেট।
Published By: Subhajit MandalPosted: 01:07 AM Mar 09, 2026Updated: 01:23 AM Mar 09, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
