shono
Advertisement

Breaking News

Can You Be Friends With Your Ex

আমিরের তৃতীয় বিয়েতে হাসিমুখে হাজির দুই প্রাক্তন! বিচ্ছেদের পরেও কীভাবে টেকে পুরনো বন্ধুত্ব?

প্রেমের আরেক নাম বন্ধুত্ব। সঙ্গী যদি বন্ধুই না হতে পারে তাহলে আর প্রেম কোথায়! কিন্তু বিচ্ছেদের সঙ্গেই ইতি ঘটে সেই বন্ধুত্বেরও।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 07:38 PM Jul 05, 2026Updated: 07:38 PM Jul 05, 2026

প্রেমের আরেক নাম বন্ধুত্ব। সঙ্গী যদি বন্ধুই না হতে পারে তাহলে আর প্রেম কোথায়! কিন্তু বিচ্ছেদের পর প্রাক্তনকে কি একইভাবে আগের মতো বন্ধু ভেবে সবটা ভাগ করে নেওয়া যায়? এই বন্ধুত্ব আদৌ কী সমীচিন? এই প্রশ্ন যুগ যুগ ধরে শোনা যায়। উত্তর একেক জনের এক এক রকম। কারও কাছে প্রেমের ইতিতেই বন্ধুত্বেরও ইতি। তাঁদের যুক্তি, বন্ধুত্বের সম্পর্ক প্রেমে পৌঁছলেও সেখান থেকে ফের শুধু বন্ধুত্বে ফেরা অসম্ভব। কারণ, প্রেমিক বা প্রেমিকার প্রতি যে আবেগ থাকে, তা পুরোপুরি ভুলে একই মানুষকে শুধু বন্ধু ভাবা নিজের সঙ্গে নিজের এক প্রবল লড়াই। কিন্তু আমির খান প্রমাণ করে দিয়েছেন, বিচ্ছেদ মানেই বন্ধুত্বের ইতি নয়। কারণ, অভিনেতা ও তাঁর হবু স্ত্রীর সঙ্গে বহুবার একসঙ্গে দেখা গিয়েছে দুই প্রাক্তনকে। রবিবার আমির ও গৌরী স্প্র্যাটের বিয়েতেও সেজে গুজে হাজির কিরণ রাও ও রিনা দত্ত। এক্ষেত্রে অনেকের যুক্তি, যদি দুজনেই পুরনো আবেগ কাটিয়ে উঠতে পারেন, তাহলে বন্ধুত্ব হতেই পারে। অর্থাৎ পুরোটাই নির্ভর করে পরিস্থিতির উপর। তাই প্রাক্তন সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রাখবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বেশ কিছু বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক সেগুলোই।

Advertisement

বিচ্ছেদের পরেও কীভাবে টেকে পুরনো বন্ধুত্ব?

কোন পরিস্থিতিতে প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখতে পারেন?

১. আপনার ও আপনার প্রাক্তন সঙ্গীর বন্ধু-বান্ধবের বৃত্তটা যদি এক হয়, তাহলে স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখতেই পারেন। অন্যথায় অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। প্রাক্তনকে এড়িয়ে চলার চেষ্টায় বন্ধুদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারেন আপনি।

২. যদি আপনাদের সন্তান থেকে থাকে, তার লালন-পালনের দায়িত্ব যদি আপনারা ভাগ করে নেন, তবে নিজেদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখা আবশ্যক। অন্যথায় সন্তানের উপর মানসিক চাপ বাড়তে পারে।

৩. যদি প্রাক্তন একই সঙ্গে কাজ করেন। অর্থাৎ আপনারা যদি সহকর্মী হয়ে থাকেন, তাহলে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাই বাঞ্ছনীয়। তাতে কোনভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রভাব কর্মক্ষেত্রে পড়বে না। আপনাদের ব্যক্তিগত জীবনের ঝড়ের আভাস তো সহকর্মীদের জানতে দেওয়ার কোনও কারণ নেই।

৪. একইরকম গান, সিনেমা, বই পছন্দ করেন দুজনে? সম্পর্কে থাকাকালীন তা নিয়ে আলোচনায় কেটে যেত অনেকটা সময়? তবে বন্ধুত্ব বজায় রাখতেই পারেন।

৫. অধিকাংশ বিচ্ছেদই হয় একজনের ইচ্ছেতে। অর্থাৎ একজন ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, অন্যজন তা মানতে বাধ্য হন। তবে যদি আপনাদের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্মতিতে বিচ্ছেদ হয়, তাহলে বন্ধু হিসেবে সম্পর্ক চালিয়ে যেতেই পারেন।

বিচ্ছেদের পরেও কীভাবে টেকে পুরনো বন্ধুত্ব?

৬. ডেটিং শুরুর আগে যদি আপনারা বন্ধু হয়ে থাকেন, তবে পুরনো বন্ধন অটুট রাখতেই পারেন। বন্ধু হিসেবেই আপনারা হয়তো বেশি ভালো থাকবেন।

কোন পরিস্থিতিতে প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখা ভুল হবে? 

১.  আপনার প্রাক্তন সঙ্গী কারণে-অকারণে দুর্ব্যবহার করতেন? কথায় কথায় ছোট করতেন? গায়ে হাত তুলতেন? তাহলে বন্ধুত্ব বজায় রাখার কথা ভাববেনও না। 

২. একে অপরের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন? সম্পর্কে থাকাকালীন অন্য কারও সঙ্গে জড়িয়েছেন? তাহলে ভুলেও বন্ধুত্ব বজায় রাখার কথা ভাববেন না। 

৩. বিচ্ছেদের পরও প্রাক্তনের প্রতি অনুভূতি রয়ে গিয়েছে? এখনও তাঁকে ফিরে পাওয়ার স্বপ্ন দেখেন? তাহলেও বন্ধুত্ব রাখা উচিত হবে না। 

৪. জানেন প্রাক্তন এখনও আপনাকে ফিরে পেতে চায়, কিন্তু আপনার তাঁর প্রতি অনুভূতি নেই? তাহলেও বন্ধু হতে যাবেন না। এতে উলটোদিকের মানুষটার যন্ত্রণা বাড়বে। কারণ, আপনার কাছে যা শুধু বন্ধুত্ব সেখানেই প্রেম খুঁজবেন আরেকজন। 

৫. আপনাকে ছাড়া কেমন আছে, তা জানতে অনেকেই বিচ্ছেদের পর প্রাক্তনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। এটাও একেবারেই কাম্য নয়।  

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement