shono
Advertisement
Durga Puja 2026

রথের পুণ্য তিথিতে খুঁটিপুজো, এবার ডবল সপ্তমী, দুর্গাপুজোর আর কতদিন?

রথের চাকা গড়াতেই বাঙালির হৃদয়ে বেজে ওঠে শারদীয়া আগমনীর সুর। মাসির বাড়ির উদ্দেশ্যে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার যাত্রার দিনটি কেবল এক দেবালয়ের উৎসব নয়, তা আসলে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোর দিনগোনা শুরুর শুভ মুহূর্ত।
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 06:05 PM Jul 16, 2026Updated: 06:22 PM Jul 16, 2026

রথের চাকা গড়াতেই বাঙালির হৃদয়ে বেজে ওঠে শারদীয়া আগমনীর সুর। মাসির বাড়ির উদ্দেশ্যে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার যাত্রার দিনটি কেবল এক দেবালয়ের উৎসব নয়, তা আসলে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোর দিনগোনা শুরুর শুভ মুহূর্ত। তপ্ত গ্রীষ্মের অবসান ঘটিয়ে বর্ষার এই পুণ্য তিথিতেই শহর থেকে গ্রামের অধিকাংশ মণ্ডপে ধ্বনিত হয় খুঁটিপুজোর ঢাক। রথযাত্রার শুভলগ্নেই মর্ত্যে মা দুর্গার আগমন বার্তার সূচনা হয়।

Advertisement

গত বছরের তুলনায় এবার শারদীয়া উৎসব কিছুটা পিছিয়েছে। ২০২৫ সালে সেপ্টেম্বরের শেষেই দেখা মিলেছিল পুজোর। তবে ২০২৬ সালে দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হবে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে।

পঞ্জিকা মতে, আগামী ১০ অক্টোবর, শনিবার মহালয়া বা সর্বপিতৃ অমাবস্যা। ওই দিন পিতৃপক্ষের সমাপ্তি ঘটে সূচিত হবে দেবীপক্ষ। ভোরবেলায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠের সুর ধরে বাঙালি মাতবে আবাহনে। পরদিন ১১ অক্টোবর প্রতিপদ তিথি থেকে শুরু হবে শারদীয়া নবরাত্রি।

২০২৬ দুর্গাপুজোর নির্ঘণ্ট
এবারের পুজোর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল সপ্তমীর স্থায়িত্ব। পঞ্জিকার গণনা অনুযায়ী, এবার মহাসপ্তমী পালিত হবে পরপর দুই দিন ধরে।

  • মহাষষ্ঠী: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার
  • মহাসপ্তমী: ১৭ ও ১৮ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার ও রবিবার
  • মহাষ্টমী: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার
  • মহানবমী: ২০ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার
  • বিজয়া দশমী: ২১ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার

গজে আগমন, নৌকায় গমন
শাস্ত্রীয় নিয়ম মেনে দেবীর বাহন নির্ধারিত হয় তিথি ও বারের ওপর ভিত্তি করে। এবার মহাসপ্তমী রবিবারে পড়ায় মা দুর্গার আগমন ঘটছে গজে অর্থাৎ হাতিতে। শাস্ত্রে গজকে দেবীর উৎকৃষ্টতম বাহন মনে করা হয়। গজে আগমন ঘটা মানে মর্ত্যলোক ভরে ওঠা সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে। ধরণী পায় পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত।

অন্যদিকে, বিজয়া দশমী বুধবারে হওয়ায় দেবীর গমন হবে নৌকায়। শাস্ত্রীয় বচন ‘শস্যবৃদ্ধিস্তথাজলম’ অনুযায়ী, নৌকায় গমনের ফলস্বরূপ একদিকে যেমন ধরণী শস্য-শ্যামলা হয়, অন্যদিকে আবার অতিবৃষ্টি বা প্লাবনের আশঙ্কাও থেকে যায়। সব মিলিয়ে, রথের রশিতে টান পড়ার সঙ্গেই বঙ্গজুড়ে শুরু হয়ে গেল উৎসবের কাউন্টডাউন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement