সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে গত কয়েক বছরে বেড়েছে বিচ্ছেদ। একদিন যাঁরা ভালোবেসে ঘর বেঁধেছিল, দেখা যায় বিয়ের বছর পেরনোর আগেই তাঁদের পথ আলাদা হয়ে যায়। নেপথ্যে কখনও শোনা যায় বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক, কখনও আবার মতের অমিল বা অন্য সমস্যা। কিন্তু মতানৈক্য হওয়া তো দাম্পত্যের খুব সাধারণ একটা বিষয়। কেন তার জেরে ভাঙছে ঘর? এক জ্যোতিষের দাবি, এর নেপথ্যে নাকি একটা বড় ভূমিকা রয়েছে ওয়েডিং ফটোগ্রাফারদের! চলুন জেনে নেওয়া যাক ব্যাপারটা ঠিক কী?
বিচ্ছেদের পিছনে ওয়েডিং ফটোগ্রাফাররা! বিস্ফোরক দাবি জ্যোতিষীর
বিয়ে যে কারও জীবনের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে একটি। এই দিনটির স্মৃতি যত্ন করে তুলে রাখতে সকলেই ছবি তোলার ব্যবস্থা করেন। তা আগেও হত, আজও হয়। তবে বর্তমানে বদলে গিয়েছে ছবি তোলার ধরণ। এখন বিয়ের মূল আকর্ষণই ওয়েডিং ফটোগ্রাফাররা। কোন পোজে ছবি তুললে তা আকর্ষণীয় হবে সেটাই মূল হয়ে দাঁড়ায় অধিকাংশ বিয়েতে। ফলে আগে সিঁদুরদানের সময়ে বাড়ির বড়রা বর-কনের পিছনে থাকলেও এখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাঁদের দেখা যায় না। কারণ, তাতে ছবি নষ্ট হয়। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে জ্যোতিষবিদ অনুভব ভৌমিক দাবি করলেন এই ফটোগ্রাফারদের জন্যই নষ্ট হচ্ছে দাম্পত্য। ঠিক কী যুক্তি তাঁর? অনুভবের কথায়, "সামাজিক রীতি মেনে বিয়েতে যজ্ঞ হয়, পুরোহিতরা যে মন্ত্রোচ্চারণ করেন তাতে একটি পজিটিভিটি তৈরি হয়। কিন্তু ফটোগ্রাফাররা ভালো ছবি তোলার জন্য পারলে আগুনের মধ্যে ক্যামেরা ঢুকিয়ে দেন, পুরোহিতদের থামিয়ে দেন, এমনকী বর-কনের পিছনে বড়দের থাকতেও দেন না। এতে নেগেটিভিটি তৈরি হয়।"
অনুভবের কথায়, "বিয়ে মানে তো বড়দের আশীর্বাদ, কিন্তু ছবি তোলার কারণে দেখা যায় অনেকেই দুঃখ পান। এর প্রভাব পড়ে নবদম্পতির সম্পর্কে।" যদিও এর কোনও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই। এই জ্যোতিষবিদের কথায়, কিছু নিময় পালন করা উচিৎ। কোনওকারণেই তা ভাঙা ঠিক নয়। তার ফল ভোগ করতে হয় সারাজীবন। তাই বিয়েতে ছবি তো তুলবেনই। তবে অবশ্যই মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলোও।
