যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য। যার আঁচ এসে বঙ্গবাসীর হেঁশেলেও। জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত আমজনতা। কয়েকদিন ধরে সমস্যা খানিকটা কমলেও পুরোপুরি কাটেনি। কতদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সকলের মনেই। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক, এ নিয়ে কী বলছে জ্যোতিষশাস্ত্র।
সংখ্যাতত্ত্ব তত্ত্ব অনুযায়ী ২০২৬ সাল হল রবির বছর। যা রাগ ও উগ্রতার প্রতীক। ফলে এবছর নানাক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেবে তা আগেই বলেছিলেন বহু জ্যোতিষবিদ। সময় যত এগোচ্ছে, তা যেন সত্যি বলে প্রমাণিত হচ্ছে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী গ্রহের অবস্থানের উপর রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন থাকবে তা নির্ভর করে। বর্তমানে গ্রহের যা অবস্থান তা নাকি মোটেই শুভ বলা যায় না। শনির রয়েছে মীন রাশিতে, অর্থাৎ কালপুরুষের দ্বাদশ স্থানে। রাহু এবং কেতু রয়েছে যথাক্রমে কুম্ভে এবং সিংহে। রাহু একাদশ এবং কেতু পঞ্চমে অবস্থান করছে। রাহুর সঙ্গে অবস্থান করছে মঙ্গল। বৃহস্পতি অবস্থান করছে মিথুন রাশিতে। রাহু এবং মঙ্গল একত্রে অবস্থান করছে আজ অর্থাৎ ২ এপ্রিল পর্যন্ত। আগামিকাল অর্থাৎ ৩ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত মঙ্গল অবস্থান করবে মীন রাশিতে। সঙ্গী শনি।
জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, ৩ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত শনির মঙ্গলের সঙ্গে অবস্থান অশুভ। ২০ মে-এর পর শনির সঙ্গে বাড়বে মঙ্গলের দূরত্ব। মনে করা হচ্ছে, এই দূরত্ব যত বাড়বে সমস্যা ততই কমবে। তবে নিশ্চিতভাবে একথা বলা সম্ভব নয় যে, সমস্যা পুরোপুরি মিটে যাবে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী জুলাই মাস পর্যন্ত নানারকম টানাপোড়েন চলতেই থাকবে।
