সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। ঠিক যেমন বর্তমানে চলছে চৈত্র নবরাত্রি। আস্তিকরা বিশ্বাস করেন, এই সময় নিয়ম মেনে পূজার্চনা করলে জীবনে সুখ সমৃদ্ধি আসবে। তাই সেইমতো ঈশ্বরের আরাধনা করেন। কিন্তু অনেকেই বলেন, শুধু পূজার্চনা করলেই হবে না। পোশাকের রংও নাকি নানা বার্তা দেয়। তাই এই সময় পোশাক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে রঙের কথা খেয়াল রাখা প্রয়োজন। কোনদিন কোন রঙের পোশাক পরা উচিত, চলুন জেনে নেওয়া যাক।

হলুদ রং ইতিবাচক শক্তি এবং ঔজ্জ্বল্যের প্রতীক। তাই নবরাত্রির প্রথম দিন এই রঙের পোশাক পরা উচিত।
সাদা পবিত্রতার প্রতীক। দেবী ব্রহ্মচারিণীকে সম্মান জানিয়ে দ্বিতীয় দিনে সাদা রঙের পোশাক পরা উচিত।
নবরাত্রির তৃতীয় দিনে পরনে থাক আকাশী রঙের পোশাক। এই রংটি সাহকিতা, শক্তির প্রতীক। আকাশী রঙের পোশাক পরলে জীবনের চড়াই উতরাইতে আপনাকে হারানো যথেষ্ট কঠিন হবে।
কমলা রং সৃষ্টিশীলতা ও আনন্দের প্রতীক। তাই চৈত্র নবরাত্রির চতুর্থ দিনে আপনার পরনে থাক কমলা রঙের পোশাক। তাতে আপনি ঈশ্বরের কৃপা থেকে কখনও বঞ্চিত হবেন না!
চৈত্র নবরাত্রির পঞ্চম দিনে অবশ্যই সবুজ রঙের পোশাক পরুন। এই রং সম্প্রীতির প্রতীক।
দেবী কাত্যায়নীকে সম্মান জানিয়ে চৈত্র নবরাত্রির ষষ্ঠ দিনে পরুন লাল রঙের পোশাক। ভালোবাসা আর সাহসিকতার প্রতীক এই রং।
আপনার কাছে নীল রঙের পোশাক আছে তো? কারণ, চৈত্র নবরাত্রির সপ্তম দিনে এই রঙের পোশাকই পরা প্রয়োজন। নিরাপত্তা আর শান্তির প্রতীক এই রং।
ঊজ্জ্বল গোলাপি রং ঐশ্বরিক শক্তির প্রতীক। তাই চৈত্র নবরাত্রির অষ্টম দিনে এই রঙের পোশাক পরাই বাঞ্ছনীয়।
নবরাত্রির নবম দিনে অবশ্যই বেগুনি রঙের পোশাক বাছুন। এই রংটি যথার্থতার প্রতীক। তাই চৈত্র নবরাত্রির শেষদিনে বেগুনি ছাড়া অন্য কোনও রঙের পোশাক ভুলেও পরবেন না।