shono
Advertisement
Dinosaur

জিরাফের চেয়েও লম্বা গলা! থাইল্যান্ডে খোঁজ মিলল নয়া তৃণভোজী ডাইনোসরের

ডাইনোসরদের দাঁত, হাড়ের গঠন দেখে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এদের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য আলাদা।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 05:25 PM Jul 13, 2026Updated: 05:30 PM Jul 13, 2026

'জুরাসিক পার্ক'। সিনেমাতেই পরিচয় হয়েছিল দীর্ঘদেহী, ভয়ংকর সব প্রাণীদের সঙ্গে। যেমন বড়সড় চেহারা, তেমনই হিংস্র। এক কামড়ে ছোটখাটো আস্ত শহর গিলে ফেলতে পারত। প্রাগৈতিহাসিক সেসব ডাইনোসররা বহু বহু যুগ আগে পৃথিবীর বুকে রাজত্ব করে গিয়েছে। তবে সবাই মোটেই এতটা ভয়াল কিংবা মাংসাশী ছিল না, তৃণভোজীও ছিল। অত বড় শরীর, অথচ খাদ্য বলতে স্রেফ ঘাস-পাতা! অবাক করা বিষয়ই বটে। তবে তার চেয়েও বেশি আশ্চর্যের তথ্য মিলল সম্প্রতি থাইল্যান্ডে। সেখানকার ক্যালাসিন প্রদেশে ফু নই থেকে উদ্ধার হয়েছে বিশালদেহী তৃণভোজী ডাইনোসরের জীবাশ্ম। তাদের গলা ছিল অস্বাভাবিক লম্বা, জিরাফের চেয়েও দীর্ঘ! এই জীবাশ্মের খুঁটিনাটি দেখে তাজ্জব বিশেষজ্ঞরা। বলা হচ্ছে, ডাইনোসর যুগ নিয়ে নতুন গবেষণার দিগন্ত খুলে গেল।

Advertisement

থাইল্যান্ডে নব আবিষ্কৃত ডাইনোসরের জীবাশ্ম। ছবি: সংগৃহীত

তৃণভোজী ওই ডাইনোসরদের গলা প্রায় ২০ মিটার পর্যন্ত লম্বা ছিল, যা প্রায় ক্রিকেট পিচের সমান। এমন বৈশিষ্ট্য আগে কখনও দেখা যায়নি। তারা প্রায় ১৫০ মিলিয়ন বা ১৫ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে থাকত। সেটা ছিল জুরাসিক যুগের শেষবেলা প্রায়। এদের কশেরুকা বা পিঠের দিকে ভার্টিব্রা পরীক্ষা করে জীবাশ্মবিদরা জানাচ্ছেন, উপরের দিক এবং মধ্যাংশের বৈশিষ্ট্য বাকিদের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। এই ডাইনোসররা মামেনকিসোরাইড গোষ্ঠীর। এদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য অসম্ভব লম্বা গলা। যার নমনীয়তা এতটাই যে খুব উঁচু এবং খুব নিচু অংশ থেকে নিজেদের খাবার সংগ্রহ করতে পারে। 

উরাগাসেরস ক্যালাসিনেনসিস। এটাই নাম দেওয়া হয়েছে নব আবিষ্কৃত ডাইনোসরের জীবাশ্মগুলির। তা পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, তৃণভোজী ওই ডাইনোসরদের গলা প্রায় ২০ মিটার পর্যন্ত লম্বা ছিল, যা প্রায় ক্রিকেট পিচের সমান। এমন বৈশিষ্ট্য আগে কখনও দেখা যায়নি। তারা প্রায় ১৫০ মিলিয়ন বা ১৫ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে থাকত। সেটা ছিল জুরাসিক যুগের শেষবেলা প্রায়। এদের কশেরুকা বা পিঠের দিকে ভার্টিব্রা পরীক্ষা করে জীবাশ্মবিদরা জানাচ্ছেন, উপরের দিক এবং মধ্যাংশের বৈশিষ্ট্য বাকিদের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। শুধু জীবাশ্ম নয়, দাঁত-হাড় পাওয়া গিয়েছে এই ফু নই এলাকা থেকে।

ফসিলগুলির সিটি স্ক্যান রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ডাইনোসররা মামেনকিসোরাইড গোষ্ঠীর। এদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য অসম্ভব লম্বা গলা। যার নমনীয়তা এতটাই যে খুব উঁচু এবং খুব নিচু অংশ থেকে নিজেদের খাবার সংগ্রহ করতে পারে। এধরনের ডাইনোসরের জীবাশ্ম প্রথম পাওয়া গিয়েছিল চিনে। তবে থাইল্যান্ডের এসব জীবাশ্ম তার থেকে বেশ কিছুটা আলাদা বলেই দাবি জীবাশ্মবিদদের। থাইল্যান্ডের মাহাসারাখম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আপিরুট নীলপানাপান জানিয়েছেন, স্থানীয় এক বাসিন্দার চোখে পড়ে সরীসৃপের মতো একটি হাড়। সেখান থেকেই এত বড় আবিষ্কার! পরীক্ষার ফল বলছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে বড় ডাইনোসরের ফসিল মিলেছে থাইল্যান্ড থেকেই।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement