ইংল্যান্ড: ১৫০/৪ (ব্রান্ট ৫৮, কেম্প ৪৪, হ্যামিলটন ১৯/১)
অস্ট্রেলিয়া : ১৫৩/৩ (মুনি ৬৪, লিচফিল্ড ৪৮, ডিন ২৮/১)
৭ উইকেটে জয়ী অস্ট্রেলিয়া।
বিশ্বকাপ জয়ের নতুন রেকর্ড স্থাপন করল অস্ট্রেলিয়ার মেয়েরা। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে এই নিয়ে সাতবার মহিলাদের টি-২০ বিশ্বকাপ জয় করল তারা। সবচেয়ে বড় কথা, হেলায় হারল ইংল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ১৫০ রান তুলেছিল তারা। শ্লথ গতির ব্যাটিং এবং স্কোরবোর্ডে কম রান তোলার খেসারত দিতে হল নাট সিভার-ব্রান্টদের। ১৭.১ ওভারে সাত উইকেটে ম্যাচ জিতে নিল প্রতিপক্ষ। গাঢ় সবুজ জার্সিধারীদের জয়ের কাণ্ডারী দুই ব্যাটার মুনি এবং লিচফিল্ড। যথাক্রমে ৬৪ ও ৪৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেললেন তাঁরা।
অস্ট্রেলিয়ার ক্যাপ্টেন সোফি টসে জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান। তিনি নিজে যেমন ভালো বল করে, চার ওভারে ৩২ রান দিয়ে একটি উইকেট নিয়ে ব্রান্টের দলকে বেঁধে রাখলেন, পাশাপাশি তাঁকে সঙ্গ দিলেন গার্থ (২০ রান দিয়ে এক উইকেট), হ্যামিলটন (তিন ওভারে ১৯ রানে দিয়ে এক উইকেট) এবং সাউদারল্যান্ড (৩৪ রান দিয়ে এক উইকেট)। ধারাবাহিক ভাবে উইকেট না পড়লেও ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা রানের গতি বাড়াতে পারলেন না। মেয়েদের টি-২০-তেও অধিনায়ক ব্রান্টের ৫৩ বলে ৫৮ রান ইনিংস ভালো উদাহরণ নয়। যদিও কেম্পের ২৮ বলে ৪৪ রানের নটআউট ইনিংস পার্থক্য গড়ে দিতেই পারত। সঙ্গ না পাওয়ায় তা কাজে এল না।
অন্যদিকে শুরুতে ওপেনার ভোলের উইকেট হারালেও অস্ট্রেলিয়ার জয়ের পথ করে দিলেন মুনির। তাঁর ৪৯ বলে ৬৪ রানের ইনিংস এবং লিচফিল্ডের ৩৫ বলে ৪৮ রানের ইনিংসই অস্ট্রেলিয়াকে সপ্তমবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করে দিল। একদম শেষে মানসিক চাপ সামলে পেরির ১২ বলে ১৩ রান অন্তম কাজটা করে দিল। ফলে ১৭.১ ওভারে সাত উইকেটে ২০২৬ সালের মহিলাদের টি-২০ বিশ্বকাপ জিতে নিল অস্ট্রেলিয়া।
