ইস্টবেঙ্গল- ২ (মিচেল-২)
কাষ্টমস- ০
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথম ম্যাচে অনামী রেনবোর বিরুদ্ধে এসেছে ৪-১ গোলে জয়। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচেই কাস্টমসের বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট পেতে রীতিমতো কষ্ট করতে হল সাতবার কলকাতা লিগ জয়ী ইস্টবেঙ্গলকে। বুধবার লাল-হলুদের পরিত্রাতা হয়ে দেখা দিলেন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর জাতীয় দলের ডিফেন্ডার কার্লাইল মিচেল। তাঁর জোড়া গোলেই অপেক্ষাকৃত কম শক্তিশালী কাষ্টমসের বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করল ইস্টবেঙ্গল।
[ফের বল হাতে ক্রিকেট মাঠে ফিরলেন শ্রীসন্থ]
উইলিস প্লাজা গোল পাচ্ছেন না। গত মরশুম থেকেই তাঁর গোল খরা চলছিল। কর্তারা বাদ দিলেও কোচ খালিদ জামিল প্লাজার পক্ষে সওয়াল না করলে হয়তো দলে থাকাই হত না ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর এই স্ট্রাইকারের। কিন্তু চলতি মরশুমেও দু’টি ম্যাচ খেলে ফেললেও গোল নেই প্লাজার। উলটোদিকে, তাঁরই সতীর্থ-র জোড়া হেডেই কিন্তু মান বাঁচল ইস্টবেঙ্গলের। ৭৫ ও অতিরিক্ত সময়ে মিচেলের দু’টি হেডেই এল জোড়া গোল। প্রসঙ্গত, এই প্লাজার হাত ধরেই কিন্তু কলকাতায় খেলতে এসেছেন মিচেল। এদিন প্রথম ম্যাচের তারকা ভি পি সুহের এবং প্লাজা-সহ অন্যান্য খেলোয়াড়রা যখন ব্যর্থ তখন দলের বিপদে এগিয়ে এলেন মিচেল। আর জোড়া গোল করে ইতিমধ্যেই উঠে গেলেন সমর্থকদের গুডবুকে।
[দেশের বাইরে কীভাবে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করলেন বিরাটরা?]
এদিন দলে বেশ কিছু পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ খালিদ জামিল। জাতীয় শিবিরে যোগ দেওয়ায় অধিনায়ক অর্ণব মণ্ডল এবং মহম্মদ রফিককে ছাড়াই মাঠে নেমেছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। কিন্তু প্রথম ম্যাচে রেনবোর বিরুদ্ধে তাড়াতাড়ি গোল পেয়ে গেলেও এদিন অপেক্ষা করতে হয় প্রায় ৭৫ মিনিট। প্রথমার্ধে তো বটেই, দ্বিতীয়ার্ধেও বেশ কয়েকটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন লাল-হলুদ খেলোয়াড়রা। এর পাশাপাশি ছিল বিপক্ষ খেলোয়াড়দের নাছোড় মনোভাব। উলটোদিকে, ধারভারে শক্তিশালী ইস্টবেঙ্গল রক্ষণে বেশ কয়েকবার আক্রমণও শানায় কাষ্টমস। তবে কোনও অঘটন ঘটেনি। শেষপর্যন্ত লোবোর ক্রস থেকে মিচেলের হেডে গোলের মুখ খুলে যায়। এরপর ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে ডানদিক থেকে সামাদ আলি মল্লিকের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে কাষ্টমসের কফিনে শেষ পেরেকটিও পোঁতেন মিচেল। এই ম্যাচ জেতায় দুই ম্যাচ থেকে ছয় পয়েন্ট পেল ইস্টবেঙ্গল। এরপর আগামী ১৯ আগস্ট পিয়ারলেসের মুখোমুখি হবে খালিদ জামিলের ছেলেরা।
The post মিচেলের জোড়া গোলে স্বস্তির জয় ইস্টবেঙ্গলের appeared first on Sangbad Pratidin.
