Advertisement

ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে ফের মানুষের পাশে আফ্রিদি, হিন্দু মন্দিরে খাবার বিলি করলেন পাক তারকা

05:52 PM May 13, 2020 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা তার দাপট দেখানোর আগে জাতি-ধর্ম-বর্ণ মানে না। তাই এমন সংকটের দিনে ধর্মের ভেদাভেদ না করেই করোনা থেকে মুক্তি পেতে প্রত্যেককে পরস্পরের পাশে দাঁড়াতে হবে। ঠিক যেমনটা করলেন শাহিদ আফ্রিদি (Shahid Afridi)। হিন্দু-মুসলিম ভেদাভেদ ভুলে মানুষ হিসেবে অভুক্তদের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করলেন তিনি। সম্প্রতি মন্দিরে গিয়ে খাবার বিলি করেন তিনি। যার জন্য প্রাক্তন ক্রিকেটারকে কুর্নিশ জানাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া।

Advertisement

করোনা মোকাবিলায় লকডাউনের জেরে সমস্যায় পড়েছেন দিন আনি দিন খাই মানুষগুলি। দু’বেলা-দু’মুঠো অন্নের জোগান করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে দুস্থ-গরিব পরিবারগুলি। এমন দুর্দিনে তাঁরা যাতে অভুক্ত না থাকেন, তার জন্য অনেকদিন আগে থেকেই উদ্যোগ নিয়েছেন বুমবুম ও তাঁর সংগঠন। পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রান্তে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে তাঁর ফাউন্ডেশন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখা যাচ্ছে আফ্রিদিকে। তাঁর সমাজসেবামূলক কাজের প্রশংসা করেছেন ভারতীয় তারকা যুবরাজ সিং এবং হরভজন সিংও। ফের নতুন করে নেটদুনিয়ার প্রশংসা কুড়োলেন চিরতরুণ আফ্রিদি।

[আরও পড়ুন: শরীরে থাবা বসিয়েছে করোনা, নিজেই জানালেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ডেভেলপমেন্ট কোচ]

সম্প্রতি একটি হিন্দু মন্দিরে যান তিনি। সেখানেও খাবার বিলি করেন। যার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে আফ্রিদি লেখেন, “আমরা একসঙ্গে সংকটে পড়েছি। তাই ঐক্যবদ্ধভাবেই লড়তে হবে। একতাই আমাদের শক্তি। খাবার দিতে শ্রী লক্ষ্মী নারায়ণ মন্দিরে গিয়েছিলাম।” পাক স্কোয়াশ তারকা জাহাঙ্গির খানকেও সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন বুমবুম।

এই মহৎ কাজে যে সমস্ত খাবারের ব্র্যান্ড তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে তাঁদের ধন্যবাদও জানিয়েছেন আফ্রিদি। এখনও পর্যন্ত ২২ হাজার পরিবারের কাছে রেশন পৌঁছে দিতে পেরে খুশি তিনি। তবে এখানেই ইতি নয়। এখনও অনেক কাজ বাকি। তাই তো তাঁর এই সমাজসেবা চলবে। পাকিস্তানের আরও শহর ও গ্রামের মানুষ উপকৃত হবেন তাঁকে পাশে পেয়ে।

[আরও পড়ুন: আগামী বছরই ভারতে অনূর্ধ্ব-১৭ মহিলা বিশ্বকাপ, দিনক্ষণ ঘোষণা করল ফিফা]

The post ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে ফের মানুষের পাশে আফ্রিদি, হিন্দু মন্দিরে খাবার বিলি করলেন পাক তারকা appeared first on Sangbad Pratidin.

Advertisement
Next