সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। বারাণসীতে অত্যাধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের শিলান্যাস করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। আগামী ৩০ মাস ধরে ৪৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে স্টেডিয়ামটি তৈরি করা হবে। শনিবার শিলান্যাস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন তেণ্ডুলকর, সুনীল গাভাসকর, কপিল দেবরা। উপস্থিত ছিলেন বিসিসিআই (BCCI) সভাপতি রজার বিনি, সচিব জয় শাহরাও।
বারাণসীর (Varanasi) অত্যাধুনিক এই স্টেডিয়ামটি তৈরি হবে বেলপাতার আদলে। স্টেডিয়ামে থাকবে কাশী এবং শিবের ছোঁয়া। গ্যালারির আকৃতি হবে শিবের মাথায় থাকা এক ফালি চাঁদের মতো। ভিআইপি গ্যালারি দেখতে হবে ডুগডুগির বা ডমরুর মতো। স্টেডিয়ামের ফ্লাড লাইটগুলি হবে ত্রিশূলের আকারের। গ্যালারি তৈরি করা হবে বারাণসীর গঙ্গার ঘাটগুলির আদলে।অর্থাৎ পুরদস্তুর ধর্ম এবং আধুনিকতার মিশেলে তৈরি হচ্ছে এই স্টেডিয়াম। এর মধ্যে যে ধর্মের ছোঁয়া রয়েছে, সেটা মেনে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।
[আরও পড়ুন: প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ তড়িৎবরণ তোপদারের বাড়িতে রাজ চক্রবর্তী, ব্যাপারটা কী?]
স্টেডিয়ামের শিলান্যাসের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “এই স্টেডিয়াম স্বয়ং মহাদেবকে সমর্পিত। এর নকশাও স্বয়ং মহাদেবকে সমর্পণ করা। এই স্টেডিয়ামে একের পর এক ক্রিকেট ম্যাচ হবে। আশেপাশের যুবসমাজ ক্রিকেট অনুশীলনের সুযোগ পাবে। যার লাভ পাবে বারাণসী। যেদিন থেকে এই স্টেডিয়ামের ছবি প্রকাশ্যে এল সেদিন থেকেই কাশীবাসী গদগদ, সেটা আমি জানি। এত বড় স্টেডিয়াম হলে কাশীর অর্থনীতির উপরও এর বিরাট প্রভাব পড়বে। হোটেল থেকে শুরু করে নৌকাচালক পর্যন্ত, সবার দুহাতে লাড্ডু চলে আসবে। বারাণসীতে এবার একটি ক্রীড়াশিল্প তৈরি হয়ে যাবে।”
[আরও পড়ুন: দিঘা বেড়াতে যেতে দামি গাড়ি না দেওয়ায় খুন! নাগেরবাজারে বৃদ্ধের হত্যার কিনারা করল পুলিশ]
মোদির আশা, আগামী দিনে ক্রিকেটকে ঘিরে বারাণসী আর্থিক ভাবে উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে। তিনি বলেন, “আজ দুনিয়ার নতুন নতুন দেশ ক্রিকেট খেলছে। ক্রিকেট ম্যাচ বাড়বে। ম্যাচ বাড়লে নতুন স্টেডিয়ামের প্রয়োজন পড়বে। বারাণসীর এই স্টেডিয়াম সেই প্রয়োজনীয়তা পূরণ করবে। বিসিসিআইও (BCCI) এই স্টেডিয়াম তৈরিতে সাহায্য করছে।” প্রধানমন্ত্রীর ধারণা, সরকারের নীতি দেশবাসীর খেলাধুলোর উপর আগ্রহ বাড়াচ্ছে। একসময় মা-বাবা বাচ্চাদের বকাবকি করত, সবসময় খেলাধুলো করবে নাকি। এখন সময় বদলাচ্ছে। বাচ্চারা তো আগে থেকেই খেলাটাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতো। এখন মা-বাবারাও খেলা নিয়ে বেশ সিরিয়াস। এখন দেশের মেজাজ বদলাচ্ছে। যে খেলবে-সেই হাসবে।”
