চেন্নাই এফসি: ২ (নন্দ কুমার, করুথান্ডাথকুনি)
ইস্টবেঙ্গল: ১ (প্লাজা)
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রক্ষণ নিয়ে জেরবার হচ্ছিলেন মোহনবাগান কোচ সঞ্জয় সেন। চেন্নাই ম্যাচের পর এবার লাল-হলুদ ডিফেন্স নিয়েও বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিল। লড়াইটা ছিল দুই বনাম নয়ের। তাই মাঠে নামার আগে খাতায় কলমে অনেকটাই এগিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গল। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে তিন পয়েন্টকেই পাখির চোখ করেছিলেন মেহতাবরা। কিন্তু তিন পয়েন্ট তো দূর অস্ত, ম্যাচ হেরে মাঠ ছাড়ল মরগ্যানবাহিনী। চেন্নাইয়ের কাছে ১-২ হারের পর লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে দিনের শেষে দোলের রং অনেকটাই ফিকে হয়ে গেল।
(ডিআরএস কাণ্ডে সরব ডুপ্লেসি, বিরাটকে বিঁধলেন জনসন)
ইস্টবেঙ্গলের আই লিগ খরা কাটবে না থাকবে, রবিবারের ম্যাচই অনেকটা স্পষ্ট করে দিল। লিগ তালিকার শীর্ষে পৌঁছনোর হাতছানি ছিল প্লাজা-পেইনদের সামনে। কিন্তু কোথায় কী! অ্যাওয়ে ম্যাচে হেরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে অনেকটা পিছিয়ে পড়ল ইস্টবেঙ্গল। তালিকার ন’নম্বরে থাকলেও গত ম্যাচে দু’বারের আই লিগ জয়ী বেঙ্গালুরুকে আটকে দিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে ছিলেন চেন্নাইয়ের ফুটবলাররা। উল্টো শিবির আবার আগের ম্যাচে হার মেনেছিল চার্চিল ব্রাদার্সের কাছে। তাই লড়াইটা যে কঠিন হবে, তা ভালই জানতেন মরগ্যান। হলও তাই। দুই অর্ধেই একাধিক গোলের সুযোগ তৈরি হল। কিন্তু একটির বেশি গোল এল না।
(বোল্ড হয়েও ডিআরএস চেয়ে হাসির খোরাক হলেন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান)
৪৩ মিনিটে রাহুল ভেকের বাড়ানো হল থেকে দুরন্ত হেডারে গোল করেন প্লাজা। পিছিয়ে পড়ে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় চেন্নাই। ফলে দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর মিনিট বারোর মধ্যেই নন্দ কুমারের গোলে সমতায় ফেরে হোম ফেভরিটরা। এরপর একের পর এক আক্রমণে অর্ণব, বুকেনিয়াদের চাপে ফেলে দেন সৌন্দরাজনের ছেলেরা। একটা সময় যখন লাল-হলুদ সমর্থকরা ধরে নিয়েছেন, অমীমাংসিতভাবেই ম্যাচ শেষ হবে, ঠিক তখনই বাজিমাত করলেন করুথান্ডাথকুনি। ইনজুরি টাইমে বিপক্ষের ডিফেন্ডারদের ভুলের সুযোগ নিয়ে গোল করে দলকে মূল্যবান তিন পয়েন্ট এনে দিলেন তিনি। লড়াই করেও আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। ছন্নছাড়া ডিফেন্স আর দলে বোঝাপড়ার অভাবটা যেন এদিন আরও প্রকট হয়ে উঠল। আর এই হারের ফলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রাস্তা বেশ কঠিন হয়ে গেল লাল-হলুদ ব্রিগেডের।
