সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সম্প্রতি জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে চতুর্থ হয়েছিলেন। স্বপ্ন ছিল আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার। কিন্তু সেটা স্বপ্নই রয়ে গেল ঝাড়খণ্ডের জাতীয় কুস্তিগীর বিশাল কুমার বর্মার। গত মঙ্গলবারই রাঁচির জয়পাল সিং স্টেডিয়ামে জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান তিনি।
[জানেন, বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে ব্যাট ধরে কী বললেন জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার?]
বিগত কয়েকদিন ধরেই প্রবল বর্ষণে জল জমে গিয়েছিল স্টেডিয়ামটিতে। সেই জমা জলই স্টেডিয়াম থেকে বের করা হচ্ছিল। কিন্তু প্রয়োজন পড়ায় ভুলবশত স্টেডিয়ামের একটি অফিসে চলে যান ২৫ বছর বয়সি কুস্তিগির। ওই সময় অফিসটি পুরোপুরি জলে নিমজ্জিত ছিল। কোনও কারণে বিদ্যুতের তার পরে থাকায় তখনই তড়িদাহত হয়ে মৃত্যু হয় জাতীয় এই কুস্তিগিরের। জানা গিয়েছে, ১৯৭৮ সালে তৈরি হয়েছিল স্টেডিয়ামটি। কিন্তু উপযুক্ত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বর্তমানে সেটি মৃত্যুফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর দুর্ভাগ্যবশত সেই ফাঁদেই পা দিয়ে বসলেন তিনি। ঘটনা প্রসঙ্গে ঝাড়খণ্ড রেসলিং অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ভোলা সিং বলেন, ‘খুবই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। জানি না ঠিক কী কারণে জলে ডোবা অফিসটিতে গিয়েছিল বিশাল। স্টেডিয়ামটির অবস্থা খুবই খারাপ। আমরা কুমারের জন্য সরকারের কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছি।’
[শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজের নেতা হয়তো বিরাট নন]
জানা গিয়েছে, ছ’জনের পরিবারের একমাত্র উপার্জনশীল ছিলেন বিশাল। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ইতিমধ্যে ঝাড়খণ্ড রেসলিং অ্যাসোসিয়েশন পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছে ১ লক্ষ টাকা। সেইসঙ্গে ঘোষণা করেছে, প্রতি মাসে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে ১০ হাজার টাকা।
[ফেসবুকে রাখি হাতে ছবি, ফের বিতর্কে ইরফান পাঠান]
The post স্টেডিয়ামের জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু কুস্তিগিরের appeared first on Sangbad Pratidin.
