Advertisement

Tokyo Paralympics: শুটিংয়ে সোনা জয় মণীশ নরওয়ালের, রুপো ঘরে তুললেন সিংহরাজ

03:52 PM Sep 04, 2021 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অতীত রেকর্ড ভেঙে টোকিও অলিম্পিক (Tokyo Olympics 2020) থেকেই সবচেয়ে বেশি পদক এসেছিল ঘরে। তবে প্যারালিম্পিকে যেন ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে ভারত। তিরন্দাজি থেকে শুটিং, সব ক্ষেত্রেই তৈরি হচ্ছে নয়া ইতিহাস। আর সেই সঙ্গে বেড়েই চলেছে পদকের সংখ্যা। শনিবারও তা ব্যতিক্রম হল না। এদিন শুরুতেই ফের শুটিংয়ে এল সোনা এবং রুপো। ফাইনাল জিতে দেশকে স্বর্ণপদক এনে দিলেন মণীশ নরওয়াল। দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে রুপো পেলেন সিংহরাজ অধানা। অন্যদিকে ব্যাডমিন্টন সিঙ্গলসের ফাইনালে পৌঁছে রুপো নিশ্চিত করলেন ভারতের প্রমোদ ভগত।

Advertisement

এদিন মিক্সড ৫০ মিটার পিস্তল SH1 ইভেন্টের ফাইনালে ভারতীয় প্রতিপক্ষকে হারিয়েই সোনা জিতে নেন ১৯ বছরের মণীশ। এর আগে প্যারালিম্পিকে প্রথম ভারতীয় মহিলা শুটার হিসেবে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন অবনী লেখারা। এবার সোনা এল মণীশের হাত ধরে। মণীশের কাছে পরাস্ত হয়ে রুপো পেলেন ভারতীয় অ্যাথলিট সিংহরাজ আধানা। ছেলের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তাঁর পরিবারও।

[আরও পড়ুন: India vs England: উমেশ ঝড়ে ২৯০ রানে শেষ ইংল্যান্ড, দ্বিতীয় ইনিংসে ভাল শুরু রোহিতদের]

দুই ভারতীয় অ্যাথলিটকেই পদক জয়ের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ১৯ বছরের মণীশ ও সিংহরাজের হাত ধরে চলতি প্যারালিম্পিকে ১৪ এবং ১৫ তম পদকটি এল ভারতের ঘরে। যা ইতিহাস। তবে এখানেই শেষ নয়। আজ সোনা জয়ের দৌড়ে নামবেন আরও এক ভারতীয়। তিনি প্রমোদ ভগত। দিনের শুরুতেই যিনি ব্যাডমিন্টনে পুরুষ সিঙ্গলসের SL3 ক্লাসের ফাইনালে পৌঁছে রুপো নিশ্চিত করেছেন।

[আরও পড়ুন: সৌম্যদীপ ম্যাচ হারতে বলেছিলেন! বাঙালি কোচের বিরুদ্ধে গড়াপেটার অভিযোগ মণিকা বাত্রার]

প্রমোদ ভগত

জাপানের ডাইসুকেকে স্ট্রেট গেমে হারিয়ে ফাইনালে ওঠেন বর্তমানে বিশ্বের এক নম্বর তারকা প্রমোদ। তাঁর পক্ষে ম্যাচের ফল ২১-১১, ২১-১৬। মাত্র ৩৬ মিনিটেই লড়াই জিতে নেন তিনি। উল্লেখ্য, এবারই প্রথম প্যারালিম্পিকে অন্তর্ভুক্তি হয়েছে ব্যাডমিন্টনের। আর তাই প্রথম ভারতীয় প্যারালিম্পিয়ান হিসেবে পদক নিশ্চিত করে নয়া রেকর্ডের মালিক হয়ে গেলেন প্রমোদ। তাঁর পরই আবার ব্যাডমিন্টনে পুরুষ সিঙ্গলসের SH6 ইভেন্টের ফাইনালে পৌঁছে রুপো নিশ্চিত করে ফেলেছেন ভারতের কৃষ্ণ নাগার।  

Advertisement
Next