সুলয়া সিংহ: “দারুণ স্টেডিয়াম। ফুটবলের জন্য অসাধারণ পরিবেশ। কিন্তু বড্ড ট্রাফিক জ্যাম।” যুব বিশ্বকাপ ফাইনালে নিজের দেশের খুদেদের খেলা দেখতে এসে কলকাতা নিয়ে এটিই ছিল সোল ক্যাম্পবেলের প্রথম প্রতিক্রিয়া।
ফুটবল থেকে অবসর নিলেও বিশ্বফুটবলের সব খবর তাঁর ঠোঁটের ডগায়। নিয়মিত যুব বিশ্বকাপে চোখ রেখেছেন। দেখেছেন ভারতের খেলাও। তাই ব্রিটিশ কিংবদন্তি বলছেন, “এ দেশের জন্য নিঃসন্দেহে এই টুর্নামেন্ট মাইলস্টোন হয়ে রইল। কিছু বছর আগেও খুদেদের ফুটবল নিয়ে এতো মাতামাতি ছিল না। এখন ছবিটা পালটেছে। প্রতিযোগিতার মানও অনেক উন্নত হয়েছে। তাই ভবিষ্যতে গোটা বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দিতে ভারতকে আরও বেশি ম্যাচ খেলতে হবে। লড়াইয়ের আরও অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।” ইংল্যান্ড প্রথমবার বিশ্বকাপের ফাইনালে। হোক না ছোটদের মহারণ। ব্রিউস্টাররাই তো আগামীর তারকা। ফাইনালের ফল তখনও জানা নেই। তবে খুদেদের প্রতি ভরসা রয়েছে ক্যাম্পবেলের। কিন্তু অন্য এক দলের খুদেরা জিতলেও তাদের উপর বেজায় চটে কোচ। কথা হচ্ছে লিঙ্কন, পাওলিনহোদের।
[যুবভারতীতে ফিরল সাম্বা ছন্দ, মালিকে হারিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন ব্রাজিলের]
কোথায় ব্রাজিলের সেই গতিময় স্কিলড ফুটবল। কোথায় জয়ের খিদে। তাদের বডি ল্যাঙ্গোয়েজে শুধুই বাড়ি ফেরার তাড়া। তাই জয়টাকে একেবারেই পড়ে পাওয়ার চোদ্দ আনা হিসেবে দেখছেন কোচ আমাদিউ। ইংল্যান্ডের কাছে শেষ চারে হারের দিন নির্দ্বিধায় জানিয়েছিলেন, যোগ্য দল হিসেবেই ফাইনালে পৌঁছেছে স্টিভ কুপারের ছেলেরা। এদিনও কোনও রাগঢাক না রেখেই বললেন, ছেলেদের খেলায় তিনি চূড়ান্ত হতাশ এবং বিরক্ত। তাঁর কথায়, “গত আড়াই বছরের সবচেয়ে খারাপ পারফরম্যান্স ছেলেদের। এভাবে খেলেও যে দুটো গোল হয়েছে সেটা সত্যিই সৌভাগ্যের। নাহলে এই পারফরম্যান্সে কোনও দল জিততে পারে না।” শনিবাসরীয় য়ুবভারতীতে বাঙালি সাম্বা ছন্দে মাতলেও তাই দিনের শেষে ফুটবল শৈলি নিয়ে খুঁতখুতানিটা যেন থেকেই গেল।
ছবি- শুভাশিস রায়
The post আড়াই বছরের সবচেয়ে খারাপ পারফরম্যান্স, জিতেও ক্ষুব্ধ আমাদিউ appeared first on Sangbad Pratidin.
