যুগটা সোশাল মিডিয়ার। ফেসবুকের মতোই ইনস্টাগ্রামও প্রবল জনপ্রিয়। বরং আধুনিক প্রজন্মের কাছে ইনস্টাগ্রামের গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি বলেই জানা যায়। কিন্তু জানেন কি, অজান্তেই আমরা এমন সব 'ভুল' করে ফেলি, যা করলে চিরতরে হারাতে হতে পারে ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট। এর মধ্যে রয়েছে এমন একটি ভুল, যা সকলেই প্রায় করে থাকেন।
এর মধ্যে শুরুতেই বলতে হয় ফেক ফলোয়ারের কথা। অ্যাকাউন্ট বুস্ট করতে অনেকেই এমন করেন। বট কিংবা থার্ড-পার্টি সার্ভিসের সাহায্য নেন। কিন্তু ইনস্টাগ্রামে এটা নিষিদ্ধ। ফলে ধরা পড়লেই বিপদ। রিচ কমবে। সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে। সাবধান না হলে চিরতরে উড়িয়ে দেওয়া হতে পারে অ্যাকাউন্ট।
অন্য কারও ছবি, ভিডিও, গান বা রিল তাঁর অনুমতি ছাড়াই ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করাকে গুরুতর কপিরাইট লঙ্ঘন বলে ধরা হয়। যদি আসল ক্রিয়েটর রিপোর্ট করে দেন সঙ্গে সঙ্গে ইনস্টাগ্রামের তরফে সেই পোস্ট ডিলিট করে দেয়। হুঁশিয়ারিও দেয়। ভুলের পুনরাবৃত্তি হলেই স্থায়ীভাবে অ্যাকাউন্টটি মুছে দেওয়া হয়।
আধুনিক প্রজন্মের কাছে ইনস্টাগ্রামের গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি বলেই জানা যায়। কিন্তু জানেন কি, অজান্তেই আমরা এমন সব 'ভুল' করে ফেলি, যা করলে চিরতরে হারাতে হতে পারে ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট।
কোনও কোনও হ্যাশট্যাগ নিষিদ্ধ। অপব্যবহার কিংবা যথাযথ কনটেন্ট নয় বলেই এগুলিকে চিহ্নিত করা হয়। এই সব হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করলেও পড়তে পারেন বিপদে। হারাতে হতে পারে অ্যাকাউন্ট!
হেট স্পিচ, ক্ষতিকর কনটেন্ট নিয়ে ইনস্টাগ্রাম খুবই সতর্ক। আপত্তিকর, বিতর্কিত বা অশ্লীল কনটেন্ট শেয়ার করলেই চা উড়িয়ে দেয় ইনস্টাগ্রাম। একই ভাবে এক্ষেত্রেও সাময়িক নিষেধাজ্ঞা ও কথা না মানলে চিরতরে অ্যাকাউন্ট মুছে দেওয়া হতে পারে।
একই কমেন্টের পুনরাবৃত্তি করে চলেন? অথবা ডিএম তথা সরাসরি মেসেজ করেন অনেক বেশি? অল্প সময়ে গুচ্ছের পোস্ট লাইক করে চলেন? এই ধরনের আচরণকে ইনস্টাগ্রাম স্প্যাম অ্যাক্টিভিটি হিসেবে ধরে। এমন কাজ নাগাড়ে করে চললে চিরতরে হারাতে হতে পারে অ্যাকাউন্ট।
থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করে অনেকেই ইনস্টাগ্রামে লগ ইন করেন। বাড়তি ফলোয়ারের 'লোভে' পড়েই এমনটা করেন বহু ইউজার। এর ফলে ইনস্টাগ্রামের যে পলিসি তা অমান্য করা হয়। স্বাভাবিক ভাবেই এমন কাজেও অ্যাকাউন্টের স্থায়ী বিদায় নিশ্চিত হতে পারে অচিরেই। আসলে বারবার যদি আপনার প্রোফাইলের বিরুদ্ধে রিপোর্ট জমা পড়ে তাহলেই বিপদ! ইনস্টাগ্রামের নিয়ম না মানায় ঘনঘন সাময়িক নিষেধাজ্ঞায় পড়তে হলেও সমস্যা। এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে অ্যাকাউন্ট চিরতরে হারাতে পারেন। কাজেই সাধু সাবধান! কী শেয়ার করছেন, কোথায় মন্তব্য করছেন, কেমন মন্তব্য করছেন সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
