মুখে মুখে ঘুরছে যুদ্ধের আপডেট। টিভির পর্দায় নজর রাখলে যেন রক্তচাপ বৃদ্ধির জোগাড়। বাড়িতে আবার তৈরি হওয়া গ্যাসের সংকট। বড়রা না হয় তা সহ্য করে নিচ্ছেন। কারণ, তাঁদের তথ্য যাচাই করার বোধ রয়েছে। খুদেদের যা নেই। তার ফলে এই যুদ্ধ পরিস্থিতি সংক্রান্ত নানা কথা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে খুদেদের। অনেকেই ভয়ে কাঁটা হয়ে যাচ্ছে। আপনার বাড়ির দস্যিরও কি একই অবস্থা? কীভাবে সামলাবেন তাকে, রইল টিপস।
Advertisement
- বাড়িতে খাবার টেবিলে বসে কিংবা মোবাইল স্ক্রল করতে করতে উত্তেজিত হয়ে খুদের সামনে যুদ্ধের কথা বলবেন না। মনে রাখবেন, ছোটদের সবচেয়ে ভরসাস্থল তার বাবা-মা। তাঁরা ভয় পেয়ে গিয়েছেন বুঝতে পারলে স্বাভাবিকভাবেই ছোটরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।
- খুদে যদি যুদ্ধ নিয়ে কোনও কথা বলে, তা এড়িয়ে যাবেন না। মন দিয়ে শুনুন, সে কি বলতে চাইছে। বোঝার চেষ্টা করুন সে ঠিক কতটা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
ইরানের স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
- একবার যুদ্ধের কথা যখন বলে ফেলেছেন, তখন আর লুকনোর চেষ্টা করবেন না। খুদেকে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সহজে পরিষ্কার করে বুঝিয়ে বলুন। সে যে এখনও পর্যন্ত যথেষ্ট নিরাপদ রয়েছে, সে বিষয়টি খুদের মাথায় গেঁথে দেওয়ার চেষ্টা করুন।
- অনেক সময় যুদ্ধের কথা শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ে খুদে। আবার কেউ কেউ কথা বলা বন্ধ করে দেয়। তেমন পরিবর্তন লক্ষ্য করলে শিশুর প্রতি বিশেষ নজর দিন।
- যুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে তার মন অন্য়ত্র ঘোরানোর চেষ্টা করুন। নইলে খুদের শরীর খারাপ হতে পারে। পড়াশোনায় মনসংযোগ নষ্ট হতে পারে।
- বেশি ভাবনাচিন্তা করছে বুঝতে পারলে শিশুকে নিয়ে বেড়াতে যান। আইসক্রিম খাওয়ান। বোঝান তার বাড়ির আশপাশে যুদ্ধের লেশমাত্র নেই। সব যেমন ছিল তেমনই স্বাভাবিক রয়েছে।
খুদের মন অত্যন্ত নরম। তারা যুক্তির ধার ধারে না। তাই খুদের সামনে কী বলবেন, কতটা বলবেন - তার একটা হিসাব ঠিক করে নিন। নয়তো শিশুর মানসিক বিকাশ প্রভাবিত হতে পারে।
