হাতে আর মাত্র চার দিন, তারপরেই ছাঁদনাতলায় চারহাত এক হবে রণজয় বিষ্ণু ও শ্যামৌপ্তি মুদলির। মধুমাসেই জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করবেন তাঁরা। ভালোবাসার দিনে তাঁদের জীবনের নতুন অধ্যায় শুরুর ঠিক কী কী পরিকল্পনা করেছেন তাঁরা জানেন?
সংবাদমাধ্যমসূত্রে জানা যাচ্ছে, বিয়ের সন্ধ্যায় চিরাচরিত বাঙালি কনের সাজেই সাজবেন শ্যামৌপ্তি। বিয়েতে নাকি পরবেন লাল শাড়িই। তবে বেনারসি ছাড়া অন্য শাড়িতেও সাজতে পারেন পর্দার 'গুড্ডি'। অন্যদিকে শ্যামৌপ্তির সাজের সঙ্গে তাল মিলিয়েই বিয়ের দিন ধুতি-পাঞ্জাবীতে বরবেশে সাজবেন নাকি রণজয়। শোনা যাচ্ছে অনুশ্রী মালহোত্রার ডিজাইন করা পোশাকেই বিয়ের সাজে সাজবেন তাঁরা দু'জন। ১৪ ফেব্রুয়ারি বসবে তাঁদের বিয়ের আসর। একইদিনে হবে রিসেপশনের আয়োজনও। ভরপুর বাঙালিয়ানা থাকবে রণজয় ও শ্যামৌপ্তির বিয়েতে। সঙ্গীত বা মেহেন্দির মতো অনুষ্ঠানের আয়োজন হবে না বলেই কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে। আবার একইসঙ্গে শোনা যাচ্ছে, এক্কেবারে আশির দশকের ছোঁয়ায় নাকি সাজবে এদিন রণজয়-শ্যামৌপ্তির বিয়ের আসর। সাদাকালো থিমেই নাকি সাজবে বিয়ের আসর। শনিবার, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ বিয়ের লগ্ন। যদিও বিয়ের ভেন্যু সম্পর্কে সেভাবে কিছু জানাননি হবুদম্পতি। এমনকী মধুচন্দ্রিমা নিয়েও কোনও পরিকল্পনাই প্রকাশ্যে আনেননি তাঁরা।
বিয়ের আগে শেষ প্রেমের সপ্তাহে হাতে রয়েছে মাত্র কয়েকটা দিন। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে দাম্পত্যজীবন শুরু করার আগে প্রেমিক-প্রেমিকা হিসেবে হাতে থাকা কয়েকটা দিনের উদযাপন সেরেছেন দু'জন। উল্লেখ্য, ‘গুড্ডি’ ধারাবাহিকের ফ্লোরেই প্রেমের শুরু রণজয় ও শ্যামৌপ্তির। সেই ধারাবাহিকে ‘অনুওজ’ চরিত্রে দেখা গিয়েছিল রণজয়কে। সেখান থেকেই প্রেমের জল্পনা শুরু। নানা কটাক্ষও ধেয়ে এসেছে তাঁদের দিকে। নানা কুমন্তব্য শুনতে হয়েছে অসমবয়সী প্রেম নিয়েও। তবে সেসবে এক্কেবারে কান দেননি তাঁরা। গুরুত্ব দিয়েছেন নিজেদের সম্পর্ককেই। এবার সেই প্রেমেরই ‘মধুরেণ সমাপয়েত’ ঘটতে চলেছে ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’তে।
