সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাতভর বৃষ্টির জেরে শিয়ালদহ ও বিধাননগরের মাঝে রেল লাইনের পাশে ধস। শিয়ালদহ-নৈহাটি শাখার ব্যাহত ট্রেন চলাচল। ভোগান্তির শিকার যাত্রীরা। এদিকে বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন কলকাতা থেকে জেলা প্রায় সব জায়গাই, ফলে রাস্তা বেরিয়ে বেশ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে আমজনতাকে।

আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস সত্যি করে মঙ্গলবার দুপুর থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে গোটা বাংলাজুড়ে। রাতভর বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে বিভিন্ন এলাকা। অন্যান্যদিনের মতোই এদিনও নির্দিষ্ট সময়ে শিয়ালদহ থেকে সমস্ত লাইনে শুরু হয় ট্রেন পরিষেবা। সাড়ে পাঁচটা নাগাদ দেখা যায় শিয়ালদহ ও বিধাননগরের মাঝে কাঁকুরগাছি রেল কেবিন এলাকায় রেল লাইনের পাশের মাটি ধসে গিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে কিছুক্ষণের জন্য শিয়ালদহ-নৈহাটি অর্থাৎ মেন লাইনে বন্ধ করে দেওয়া হয় রেল চলাচল। শুরু হয় মেরামতির কাজ।
[আরও পড়ুন: কলকাতায় ভুয়ো ডেটিং চক্রের হদিশ, মহিলার সঙ্গে সময় কাটাতে দিতে হত টাকা! ধৃত ১৬]
এরপর অন্যলাইন দিয়ে কয়েকটি ট্রেন চালানো হয়েছে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত ৫ টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। কিছু ট্রেন চলছে, তবে তা অনেকটা দেরিতে। যার জেরে প্রবল সমস্যায় নিত্যযাত্রীরা। গোটা ঘটনায় প্রশ্নের মুখে রেলের ভূমিকা। কারণ, যে জায়গায় ধস নেমেছে তার ঠিক পাশেই চলছে নির্মাণ কাজ। চলছে খনন কাজ। মনে করা হচ্ছে সেই কারণেই এই ধস। এদিকে এখনও জলমগ্ন কলকাতার বিভিন্ন এলাকা। একাধিক জায়গায় বাড়িতেও ঢুকে পড়েছে জল।
এদিকে নিম্নচাপের কারণে পূর্ব মেদিনীপুর উপকূল এলাকায় যেমনি ভারী বৃষ্টি চলছে তেমনিভাবে সমুদ্র সকাল থেকেই উত্তাল। ফলে পর্যটকদের সমুদ্র স্নানে ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়েছে ঘাটে। মঙ্গলবার থেকেই দীঘা মোহনা কোস্টাল থানার পক্ষ থেকে উপকূল এলাকায় সমুদ্র স্নানের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। মাইকিং করা হয়েছে এলাকায়। মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে ৩ তারিখ পর্যন্ত। ওয়ারলেস মারফত সমস্ত ট্রলারকে ফিরে আসা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।