গরমের ছুটি হোক বা বড়দিনের ছুটি, লম্বা ট্যুরে তাড়াতাড়ি যাত্রাপথ অতিক্রম করতে ভরসা আকাশপথ। কিন্তু শুধু তো আকাশপথে গেলেই হবে না, একইসঙ্গে নজর রাখতে হবে স্বাস্থ্যেরও। বিশেষ করে আপনার সন্তানের। বিমানে সফর করাকালীন শিশুদের নানারকম শারীরিক সমস্যা দেখা যায়। তা এড়িয়ে চলতে মেনে চলুন বিশেষ কিছু টিপস।
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আকাশপথে সফর করাকালীন শিশুদের কানে বিশেষভাবে সমস্যা দেখা যায়। অসম্ভব কানের যন্ত্রণার মতো সমস্যা দেখা যায় অধিকাংশ শিশুর। বিমান আকাশে ওঠা এবং নামার সময় তা বেশিমাত্রায় হওয়া শুরু হয়। তাই অভিজ্ঞ মহলের পরামর্শক্রমে এই সময় আপনার সন্তানকে চুইংগাম জাতীয় কিছু দেওয়ার চেষ্টা করুন। যা ক্রমাগত চিবোলে কানের ইউস্টেচিয়ান টিউবের উপর প্রভাব পড়বে না এবং কানের যন্ত্রণা কিছুটা কমবে।
যে কোনও ট্যুরের আগে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে আপনার সন্তানের ভালোমন্দের দিকে। তাই বিমানে যাত্রা করতে হবে এমন জায়গায় যাওয়ার আগে অবশ্যই মাথায় রাখুন সন্তানের সুবিধা-অসুবিধা। যে ট্যুরে দুধের শিশু নিয়ে বেড়াতে গেলে আপনাকে বেশ বেগ পেতে হবে সেই ট্যুরেই বাচ্চা খানিক বড় হয়ে গেলে আপনি স্বস্তিতে ঘুরতে পারবেন। বিমানযাত্রাও আপনার জন্য কষ্টকর হবে না। তাই এই বিষয়ও মাথায় রাখতে হবে অবশ্যই। কাজেই সন্তানের বয়সটা একবার দেখে নেওয়ায় এক্ষেত্রে খুব জরুরী।
প্রতীকী ছবি।
বাচ্চা যদি নানা রকমের অ্যাক্টিভিটি পছন্দ করে তাহলে তাকে সুবিধা অনুযায়ী বিমানে আঁকা বা রঙ করা বা পছন্দের খেলনা দিয়ে ব্যস্ত রাখতে পারেন। তাতে সে ভুলে থাকবে আর সমস্যাও কম হবে।
মাথায় রাখবেন বিমানযাত্রা যদি দীর্ঘ সময়ের হয় তাহলে একইভাবে বসে থাকার দরুণ আপনার সন্তানের মধ্যে একঘেয়েমি কাজ করে তাই তার সুবিধা-অসুবিধার দিকে বিশেষ নজর দেবেন।
বিমানে সফরকালীন আপনার সন্তানের খাওয়া ও ঘুমের যাতে কোনওভাবেই ব্যাঘাত না ঘটে সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন। বাচ্চার পছন্দের শুকনো খাবার সঙ্গে রাখুন। এই সব টিপস মেনে চললে বাচ্চাকে নিয়ে বিমানসফর আপনার জন্য হয়ে উঠবে অনেকটাই সহজ।
