‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’য়ের পরিকল্পনা থাকলে সমুদ্রের ধারে, গভীর জঙ্গলে অথবা পাহাড়ের কোলে ব্যবস্থা করবে পর্যটন দপ্তর। এমনকি উত্তরবঙ্গে চা বাগানেও ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’ (Destination Wedding) য়ের পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে বলে জানালেন পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষ। পর্যটনের উন্নয়নে পাঁচ দফা পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলেও বৃহস্পতিবার বাজেটের জবাবি ভাষণে জানান তিনি। এই দপ্তরের বাজেট বিতর্কের মাঝে বিধায়কদের উপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেন অধ্যক্ষ। তখন হাতে গোনা ৪৫-থেকে ৫০ জন বিধায়ক অধিবেশন কক্ষে হাজির ছিলেন।
তৃণমূলের শাসনকালে বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর বাড়িতে একটি শৌচালয় নির্মাণ করা হয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে দপ্তরের মন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক। বিষয়টি মন্ত্রীর নজরে আসতেই জেলাশসকের কাছে রিপোর্ট তলব করেন মন্ত্রী শংকর ঘষ। জানিয়েছেন এমন ঘটনা ঘটে থাকলে এখনই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। আবার চা-বাগানের অর্থনীতির সঙ্গে পর্যটন জড়িয়ে রয়েছে। তাই চা বাগানে পর্যটন উন্নয়নে বন দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা চলছে। দু’দপ্তরের অধিকারিকরা আলোচনা করে পরিবেশ রক্ষা করে পর্যটনে জোর দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। উত্তরের চা বাগানের পাশাপাশি সুন্দরবনের পর্যটনে জোর দেওয়া কথা জানান।
সুন্দরবনের বনাঞ্চলকে বাঁচাতে ম্যানগ্রোভের চারা রোপনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান পর্যটনমন্ত্রী। তার আগেই অবশ্য বাজেট আলোচনার সময় বিধায়কদের উপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসু। তিনি জানান, নিজের বক্তব্য শেষ হয়ে গেলেই সদস্যরা চলে যাচ্ছেন। অন্যের বক্তব্য শোনার ধৈর্য তাদের নেই। যিনি বলছেন তিনি চান তার বক্তব্য সবাই শুনুক। কিন্তু অন্য কেউ বলার সময় তিনিই থাকছেন না। এমন অনেক সদস্য রয়েছেন যাদের বক্তব্য থেকে অনেক কিছু শেখা যায়। কিন্তু শেখার আগ্রহ নেই। আমরা কি সত্যিই দায়িত্ব পালন করছি। প্রশ্ন তোলেন অধ্যক্ষ। এমনকি বাজেটের ওপর ভাষণ দেওয়ার পরেও মন্ত্রীর জবাব শুনতে বক্তারাই আসছেন না। ভবিষ্যতে এই বিষয়ে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেন অধ্যক্ষ।
