সামশেরগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত ধুলিয়ানে নিজের পাড়ার বুথে গিয়েও ভোট (Bengal Election 2026) দিতে পারলেন না সাগরদিঘির বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস (Bayron Biswas)। বুথে ঢোকার মুখে বারবার বাহিনীর তল্লাশি নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে বায়রনের প্রশ্ন, "আমি কি সন্ত্রাসবাদী?"
বাহিনীর উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করে বাইরন বলেন, "ধুলিয়ানের মানুষ জানেন আমি বিধায়ক। তা সত্ত্বেও কেন আমার সঙ্গে এমন ব্যবহার করা হল? আসলে তৃণমূল প্রার্থীকে হারানোর জন্য ভোট লুট চলছে। আমি বলছি সামশেরগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী নূরে আলম হারবেন।"
বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার একদম শেষ লগ্নে বাড়ির কাছে ধুলিয়ান গান্ধী বিদ্যালয়ে ভোট দিতে যান বায়রন। তাঁর অভিযোগ, ভোট দিতে ঢোকার আগে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে কমপক্ষে ৫ বার তল্লাশি করেন। তাঁর ফোনও নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় 'বিরক্ত' সাগরদিঘির বিদায়ী বিধায়ক বায়রন ভোট না দিয়েই সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন। বাহিনীর উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করে বাইরন বলেন, "গোটা ধুলিয়ানের মানুষ জানেন আমি বিধায়ক। তা সত্ত্বেও কেন আমার সঙ্গে এমন ব্যবহার করা হল? আসলে তৃণমূল প্রার্থীকে হারানোর জন্য ভোট লুট চলছে। আমি বলছি সামশেরগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী নূরে আলম হারবেন।"
বায়রন বলেন, “আমি জানতাম এরকম একটি নাটক হতে পারে, আমি তার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। আমি রাজ্য সরকারের দেওয়া ‘ওয়াই ক্যাটেগরির’ নিরাপত্তারক্ষী পাই। তা সত্ত্বেও কীভাবে আমাকে হেনস্তা? আমি কি সন্ত্রাসবাদী?”
সাগরদিঘির বিদায়ী বিধায়ক অভিযোগ করেছেন সামশেরগঞ্জের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নূরে আলমকে হারানোর জন্যই পরিকল্পিতভাবে সাধারণ ভোটারদেরকে ও একজন বিধায়ককে হয়রানি করা হচ্ছে। বায়রন বলেন, "আমি জানতাম এরকম একটি নাটক হতে পারে, আমি তার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। আমি রাজ্য সরকারের দেওয়া 'ওয়াই ক্যাটেগরির' নিরাপত্তারক্ষী পাই। তা সত্ত্বেও কীভাবে আমাকে হেনস্তা? আমি কি সন্ত্রাসবাদী?"
ভোটের ঠিক আগে আগেই বায়রনকে বেসুরো শোনা গিয়েছিল। নিজের মুখেই স্বীকার করেছিলেন তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। রাজনীতির ময়দানে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীকে নিজের গুরু বলেও স্বীকার করেছিলেন। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটে নিজের সামশেরগঞ্জের ভোটার হিসেবে ভোটই দিতে না পারায় কমিশনের বিরুদ্ধে 'পরিকল্পিত চক্রান্তের' অভিযোগে সরব বাযরন বিশ্বাস।
