নির্বাচনী প্রচারের শেষলগ্নে এসেও রক্ত ঝরল নন্দীগ্রামে (Nandigram)। পরপর অস্ত্রের কোপ, বাইক ভাঙচুর। তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে হুলস্থুল কাণ্ড। আহত দু'পক্ষের একাধিক। হাসপাতালে ভর্তি অনেকে। থমথমে নন্দীগ্রামে মোতায়েন বিশাল বাহিনী।
বৃহস্পতিবার রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। নন্দীগ্রামের ভোট এই দফাতেই। আগামিকাল প্রথম দফা ভোটের শেষ প্রচার। তার আগেই বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল নন্দীগ্রাম। দু'পক্ষের প্রচার কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বচসার সূত্রপাত। ভেকুটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ৩৭ নম্বর বুথের ঘটনা। জানা গিয়েছে, পূর্ব পরিকল্পনা মতোই পবিত্র করের সমর্থনে ওই এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারে করছিলেন তৃণমূল সমর্থকরা। অভিযোগ, একই সময় শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামীরাও সেখানে প্রচারে যান। এই প্রচারকে কেন্দ্র করেই দু'পক্ষের মধ্যে শুরু হয় বচসা। মুহুর্তেই সেই বচসা গড়ায় হাতাহাতিতে। শুরু হয় তাণ্ডব!
এক বিজেপি কর্মীর অভিযোগ, বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারের সময় তৃণমূলের লোকজনেরাই অস্ত্র নিয়ে হামলা শুরু করে তাঁদের উপর। পালটা বিজেপির অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছে তৃণমূল। শাসকদলের এক নেতার দাবি, প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে বিজেপি। হামলা নিয়ে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। এক তৃণমূল নেতার মেয়েকে অপহরণেরও অভিযোগ তোলা হয় বিজেপির বিরুদ্ধে। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের বাড়ি ভাঙচুরও করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। দু'পক্ষের সংঘর্ষে একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়েছে এলাকায়। এমনকী বেশ কয়েকটি বাইক পুকুরে ফেলা দেওয়া হয়েছে। খবর পেতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ। মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে
