ফ্রান্সে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা। একটি বেসরকারি ছোট বিমানে ছিলেন একদল স্কাইডাইভার। মাঝআকাশে আচমকা যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়। এরপর সেটি মুখ থুবড়ে পড়ে পূর্ব ফ্রান্সের ন্যান্সিতে। এর জেরে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।
খবর পাওয়া মাত্র ঘটনাস্থলে ছুটে যান বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। ফ্রান্সের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, ছোট বিমানটিতে স্কাইডাইভাররা ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মাটিতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিমানটি ভয়ংকর বিস্ফোরণ ঘটে। স্থানীয় প্রশাসন মনে করছে, মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে পুলিশ। দুর্ঘটনা ঘটেছে যেখানে এবং তার আশপাশের অঞ্চলে সাধারণ মানুষের যাতায়াত নিষিদ্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। এখনও পর্যন্ত দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।
স্থানীয় সময় সকাল ১১টা নাগাদ বিমানটি ভেঙে পড়ে। একটি সূত্রের দাবি, বিমানটি প্যারাসুটারদের একটি স্কুলের। মৃতদের মধ্যে পাঁচজন স্কাইডাইভিং শিক্ষার্থী, পাঁচজন শিক্ষক। এছাড়াও প্রাণ হারিয়েছেন ছোট বিমানটির একমাত্র পাইলট। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে জানিয়েছে, উদ্ধারকাজ তদরকি করতে ঘটনাস্থলে রওনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
