shono
Advertisement
Ayatollah Ali Khamenei

নিরাপত্তার গলদেই মৃত্যু খামেনেইয়ের, চাঞ্চল্যকর ‘স্বীকারোক্তি’ ইরানের, সর্ষের মধ্যেই ভূত?

খামেনেইয়ের হত্যার নেপথ্যে যে অন্তর্ঘাত রয়েছে, তা নিয়ে আগেও বিতর্ক হয়েছিল। জানা গিয়েছিল, ইরানের প্রাক্তন সুপ্রিম লিডারের ঘনিষ্ঠবৃত্তের পরতে পরতে চর ঢুকিয়ে রেখেছিল মোসাদ। শুধু তাই নয়, দাঁতের ডাক্তার সেজে সেই চরেরাই খামেনেই-ঘনিষ্ঠদের দাঁতে ‘ট্র্যাকিং চিপ’ লাগিয়ে দিয়েছিল!
Published By: Subhodeep MullickPosted: 04:49 PM Jul 22, 2026Updated: 06:40 PM Jul 22, 2026

নিরাপত্তা গলদের কারণেই ইরানের প্রাক্তন সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে (Ayatollah Ali Khamenei) হত্যা করতে সফল হয়েছে আমেরিকা। এমনটাই দাবি করলেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তার এই মন্তব্যের পরই ইরানের শীর্ষ নেতাদের সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। শুধু তাই নয়, ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের প্রশ্ন, তাহলে কি সর্ষের মধ্যেই রয়েছে ভূত?

Advertisement

রবিবার ইরানি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেন, “হামলাকারীদের কাছে খামেনেইয়ের দৈনন্দিন রুটিন, তাঁর উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের স্থান এবং খুঁটিনাটি গোয়েন্দা তথ্য ছিল। যার উপর ভিত্তি করেই হামলাকারীরা নিখুঁতভাবে তাঁকে হত্যার নীল নকশা বানান।” তিনি আরও বলেন, “ওরা জানত যে সর্বোচ্চ নেতা প্রতিদিন সকালে তাঁর কার্যালয়েই থাকেন। হামলার সময় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক চলছিল। নিরাপত্তা গলদের কারণেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। এই গলদ এখনও রয়েছে।” এই প্রথম ইরানের কোনও ঊর্ধ্বতন কর্তা প্রকাশ্যে দেশের গোয়েন্দা ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে নিলেন। জানা গিয়েছে, খামেনেইয়ের হত্যার নিখুঁত জাল বুনেছিল ইজরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদ। কীভাবে তারা খামেনেইয়ের খুঁটিনাটি বিষয় জানতে পেরেছিল, তার তদন্ত শুরু করেছে তেহরান। তবে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে তারা এখনও কিছু জানায়নি।

খামেনেইয়ের হত্যার নেপথ্যে যে অন্তর্ঘাত রয়েছে, তা নিয়ে আগেও বিতর্ক হয়েছিল। জানা গিয়েছিল, ইরানের প্রাক্তন সুপ্রিম লিডারের ঘনিষ্ঠবৃত্তের পরতে পরতে চর ঢুকিয়ে রেখেছিল মোসাদ। শুধু তাই নয়, দাঁতের ডাক্তার সেজে সেই চরেরাই খামেনেই-ঘনিষ্ঠদের দাঁতে ‘ট্র্যাকিং চিপ’ লাগিয়ে দিয়েছিল! যাতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়।

ঠিক কীভাবে মোসাদ এই অভিযান চালিয়েছিল? সূত্রের খবর, ইরানের সেনা আধিকারিক থেকে শুরু করে খামেনেই ঘনিষ্ঠ সমস্ত ব্যক্তি, যাঁদের দাঁতের সমস্যা রয়েছে প্রাথমিকভাবে তাদেরকেই নিশানা করেছিল মোসাদ। ইজরায়েলের গুপ্তচর সংস্থার আধিকারিকরা দাঁতের ডাক্তার সেজে ইরান সেনা এবং সরকারের সেই সমস্ত আধিকারিকদের চিকিৎসা করেছিলেন। আর তখনই গোপনে তাঁদের দাঁতে ‘ট্র্যাকিং চিপ’ লাগিয়ে দিয়েছিলেন তাঁরা। মোসাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল, ওই সমস্ত আধিকারিকদের উপর ক্রমাগত নজরদারি চালিয়ে খামেনেইয়ের আস্তানার ঠিকানা পাওয়া। যাতে সহজে ইরানের সুপ্রিম লিডারকে খতম করা যায়।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement