থাইল্যান্ডের স্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি বন্দুকবাজ ছাত্রের। এই ঘটনায় দুই শিক্ষক-সহ ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে অন্তত ১৫ জন। এদের মধ্যে তিনজন ছাত্র। একটি সূত্রে দাবি, স্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালানোর পর নিজেকে গুলি করে আত্মঘাতী হয়েছে হামলাকারী। পাশাপাশি পুলিশের গুলিতে বন্দুকবাজ ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকা ঘিরে ফেলে ঘটনার তদন্ত নেমেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে ননথাবুরি প্রদেশের ব্যাং ক্রুয়াই জেলার একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে ঘটনাটি ঘটে। ১৪ বছরের স্কুলেরই নবম শ্রেণির এক ছাত্র বন্দুক হাতে ঢুকে পড়ে স্কুলে। এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। তাতেই এখনও পর্যন্ত শিক্ষক-পড়ুয়া মিলিয়ে ৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। জানা গিয়েছে, জনপ্রিয় স্কুলটিতে পড়ুয়ার সংখ্যা ৩১০০। ১৪৭ জন শিক্ষক রয়েছেন। প্রশানিক কর্তাদের দাবি, আহত ছাত্রেরা গুলিবিদ্ধ হয়নি। গুলির শব্দ ভয় পালাতে গিয়ে আহত হয়েছে তারা।
আমেরিকার মতোই থাইল্যান্ডেও সাধারণ মানুষের হাতে ঢালাও আগ্নেয়াস্ত্র একটি সমস্যা। আনুমানিক ১ কোটি আগ্নেয়াস্ত্র ছড়িয়ে রয়েছে দেশটির আমজনতার হাতে। থাইল্যন্ডের জনসংখ্যার গড় হিসাবে প্রতি সাতজনের জন্য একটি আগ্নেয়াস্ত্র। এই বিষয়টি বন্দুকবাজের হামলার আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসেও দক্ষিণ থাইল্যান্ডের স্কুলে বন্দুকবাজ ছাত্রের হামলায় একজনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিল দু'জন। পরিস্থিতির বিচারে আগ্নেয়াস্ত্র আইন কঠোর করার কথা ভাবছে প্রশাসন।
