shono
Advertisement
Parasites

ভারতে বেড়াতে এসে পরজীবীর কবলে! ব্রিটিশ মহিলার মগজে কিলবিল করছে ফিতাকৃমি

চিকিৎসকদের বিশ্বাস, ভারত থেকেই তিনি এই বিপদ বাঁধিয়েছিলেন।
Published By: Biswadip DeyPosted: 04:29 PM Jul 02, 2026Updated: 04:30 PM Jul 02, 2026

ভারতে বেড়াতে এসেছিলেন। ভাবতেও পারেননি স্বভূমে ফিরে যাওয়ার পরে কোন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হবে। ২০০৭ সালে এদেশে এসেছিলেন ব্রিটেনের নাগরিক লোরি ডেনম্যান। মাসতিনেক ছিলেন। এরপর ফিরে যান। বছর তিনেক পর থেকেই ভুগছিলেন শারীরিক সমস্যায়। অবশেষে ধরা পড়ে ব্রিটেনের ওই মহিলার মস্তিষ্কে বাসা বেঁধেছে ৩৮টি পরজীবী। চিকিৎসকদের বিশ্বাস, ভারত থেকেই তিনি এই বিপদ বাঁধিয়েছিলেন। বিবিসি সূত্রে এই বিষয়টি সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ভারতে থাকাকালীন খাবারে বিষক্রিয়ার ভয়ে সেভাবে মাংস খাননি ওই মহিলা। কিন্তু 'নিয়তি কেন বাধ্যতে'! অজান্তেই শুয়োর মাংস খেয়ে ফেলেছিলেন লোরা। যে মাংসের মধ্যে ছিল ফিতাকৃমির ডিম। সেখান থেকেই সংক্রমিত হয়েছিলেন তিনি। এই অসুখের নাম নিউরোসিস্টিসারকোসিস।

ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১০ সালে প্রথমবার মলত্যাগের সময় তাঁর শরীর থেকে এক মিটার দীর্ঘ একটি ফিতাকৃমি বেরিয়ে আসে। পরের বছর থেকে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দেয়। মাথায় ব্যথা, দৃষ্টিভ্রমের মতো নানা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান ওই মহিলা। তাঁর মস্তিষ্ক স্ক্যান করে দেখা যায় সেখানে কিলবিল করছে পরজীবী। সবশুদ্ধ ৩৮টি পরজীবীর সন্ধান মেলে! প্রথমবার এই অসুখের কথা শুনে লোরা ও তাঁর মা হতভম্ব হয়ে যান। এরপর শুরু হয় চিকিৎসা। ২০২২ সালে তিনি সুস্থ হয়েছেন। তবে সেজন্য বহু কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল।

হাসপাতালে ছিলেন মাস ছয়েক। আসলে এই অসুখে রোগীবিশেষে চিকিৎসা ভিন্ন। ভালো করে সেদ্ধ না হওয়া শুয়োরের মাংস থেকে সাধারণ এই ধরনের সংক্রমণ হয়। অনেক সময় মস্তিষ্কে শল্যচিকিৎসাও করাতে হয়। তবে লোরার ক্ষেত্রে তার প্রয়োজন হয়নি। ওষুধেই ডিম ও পরজীবীগুলিকে মারা সম্ভব হয়েছিল। তবে সুস্থ হলেও মৃগীর ওষুধ তাঁকে জীবনভর খেয়ে যেতে হবে বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement