রুশ মেডিক্যাল কলেজে আক্রান্ত ৪ ভারতীয় পড়ুয়া। হামলাকারীকে আটকাতে গিয়ে আহত দুই পুলিশকর্মীও। ছুরিকাহত পড়ুয়াদের মধ্যে একজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। হামলাকারী এক বছর পনেরোর কিশোর বলে দাবি পুলিশের। সে নব্য নাৎসি গোষ্ঠী 'ন্যাশনাল সোশালিজম/ হোয়াইট পাওয়ার'-এর সদস্য। এই গোষ্ঠীকে ২০২১ সালেই রুশ সুপ্রিম কোর্ট জঙ্গি গোষ্ঠীর তকমা দেয়।
রাশিয়ার স্টেট মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির হস্টেলে হামলা চালিয়েছিল হামলাকারী। ওই হস্টেলে কেবল বিদেশি পড়ুয়ারাই পড়ে। হস্টেলের ভিতরে পুলিশ হলে আচমকা ঢুকে পড়ে ওই কিশোর। তার মুখে ছিল নাৎসি স্লোগান। এমনকী একটি দেওয়ালে এক আক্রান্তের রক্ত দিয়ে সে স্বস্তিকা চিহ্নও (যা নাৎসিরা ব্যবহার করত) এঁকেছে বলে জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে ঘটনাস্থলে রক্তধারার যে দৃশ্য দেখা গিয়েছে, তা ভয়ংকর বলেই দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের।
রাশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, অভিযুক্ত কিশোর হস্টেলে ঢুকে পড়ে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ছুরি দিয়ে আঘাত করতে থাকে। এও জানা গিয়েছে, গ্রেপ্তারের সময় প্রতিরোধ করেছিল হামলাকারী। দু'জন পুলিশ কর্মীকেও সে ছুরিকাঘাত করে। এমনকী আততায়ী নিজের শরীরেও আঘাত হানে! সোশাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। সেই ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, বরফে ঢাকা চারপাশ। পুলিশের হাতে বন্দি অভিযুক্ত। তাকে চ্যাংদোলা করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
আহত ভারতীয় পড়ুয়াদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। বাকি তিনজনের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে। হামলাকারীকেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় এক শিশু হাসপাতালে সে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থাও গুরুতর।
