মঙ্গলবার একটি যাত্রীবাহী বিমান উড়িয়ে বালিতে যান এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট (Air India Pilot)। বুধবার সেখানেই হৃদরোগে মৃত্যু হল ৪০ বছরের ওই বিমান চালকের। আন্তর্জাতিক উড়ানের পর বালি শহরে একটি হোটেলে নিয়ম মতো বিশ্রাম নিচ্ছিলেন ওই পাইলট। সেখানেই হৃদরোগে মৃত্যু হল তাঁর।
এয়ার ইন্ডিয়ার মুখপাত্র জানিয়েছেন, হোটেল থাককালীন হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন পাইলট। অস্বস্তি তীব্র হওয়ায় দ্রুত তাঁকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। দ্রুত চিকিৎসা শুরু হলেও বাঁচানো যায়নি তরুণ বিমানচালককে। বিমানসংস্থার তরফে এক বার্তায় বলা হয়েছে, "আমাদের বিমান সংস্থার একজন ককপিট মেম্বারের প্রয়াণে আমরা শোকাহত। মৃত পাইলটের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।"
এয়ার ইন্ডিয়ার এক কর্তা জানিয়েছেন, পাইলট চলতি মাসেই প্রয়োজনীয় যাবতীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়েছিলেন। তাঁর কোনও রকম স্বাস্থ্যগত সমস্যা ধরা পড়েনি। আরও বলা হয়েছে, ডিজিসিএ-র নির্ধারিত কাজের সময় অনুযায়ী উড়ান পরিচালনা করেছেন মৃত পাইলট।
প্রসঙ্গত, পাইলটদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম সংক্রান্ত ডিজিসিএ-র নিয়ম সবকটি বিমানসংস্থা ঠিক মতো মানছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। আহমেদাবাদে ভয়ংকর বিমান দুর্ঘটনার পর যে প্রসঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছিল সর্বস্তরে। কর্মী সংখ্যা না বাড়ালে যা কখনই সম্ভব নয়। মাঝে চাপে পড়ে শুভবুদ্ধি উৎপন্ন হয় বেশ কিছু বিমানসংস্থার। ইন্ডিগার নুন আনতে পান্তা ফুরায় হাল থেকে শিক্ষা নিয়ে তড়িঘড়ি প্রায় ১৪ হাজার পাইলট নিয়োগ করল ছ’টি বিমানসংস্থা। এক্ষেত্রে বিশ্রাম নেওয়ার সময় পাইলটের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
