shono
Advertisement
American soldier

ইরাকে আরও এক মার্কিন সেনার মৃত্যু, ইরানে হামলার ঝাঁজ আরও বাড়ানোর নির্দেশ ট্রাম্পের

জানা যাচ্ছে, ইরানের ফেলে যাওয়া বিস্ফোরক বোঝাই ড্রোন নিষ্ক্রিয় করতে গিয়েছিলেন ওই জওয়ান। তখনই বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় তাঁর। পাশাপাশি আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আরও এক জন।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 09:11 AM Jul 20, 2026Updated: 09:27 AM Jul 20, 2026

ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাতে এবার ইরাকে মৃত্যু হল আরও এক মার্কিন সেনার। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ইরানের ফেলে যাওয়া বিস্ফোরক বোঝাই ড্রোন নিষ্ক্রিয় করতে গিয়েছিলেন ওই জওয়ান। তখনই বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় তাঁর। পাশাপাশি আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আরও এক জন। এই ঘটনার জেরে এখনও পর্যন্ত ১৭ জন মার্কিন জওয়ানের মৃত্যু হল যুদ্ধে।

Advertisement

সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, গত ১৮ জুলাই উত্তর ইরাকে ড্রোন হামলা চালিয়েছিল ইরান। সেই হামলার পর অবিস্ফোরিত একটি ড্রোন নিষ্ক্রিয় করার সময় বিস্ফোরণে এক জওয়ান শহিদ হয়েছেন। ইরানের হামলায় আরও এক মার্কিন সেনার মৃত্যুর পর ওই অঞ্চলের উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী সোমবার ভোরে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা শুরু করেছে। এই নিয়ে টানা ৯ রাত ইরানে হামলা চালাল আমেরিকা। সনবাদমাধ্যমের তরফে জানা গিয়েছে, রাত প্রায় ২.৩০ নাগাদ বেশ কিছু বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে নানা জায়গায়।

গত ১৮ জুলাই উত্তর ইরাকে ড্রোন হামলা চালিয়েছিল ইরান। সেই হামলার পর অবিস্ফোরিত একটি ড্রোন নিষ্ক্রিয় করার সময় বিস্ফোরণে এক জওয়ান শহিদ হয়েছেন।

সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের সামরিক ক্ষমতা চূর্ণ করতে হামলার ঝাঁজ আরও বাড়ানো হবে। আমেরিকার এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হল হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ ও বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা। উল্লেখ্য, এর আগে জর্ডানে আমেরিকার দুই জওয়ান নিহত হওয়ার পর রবিবার মার্কিন সেনা ইরানের ওপর ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে। জর্ডানে ইরানি হামলার পর একজন জওয়ান নিখোঁজ ছিলেন। রবিবার জর্ডানে অজ্ঞাতপরিচয় দেহাবশেষ উদ্ধার হয়েছে। এই দেহ মার্কিন জওয়ানের কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে আমেরিকা ও ইরানের সংঘাত ক্রমশ ভয়াবহ আকার নিতে শুরু করেছে। ইরানের সামরিক ঘাঁটির পাশাপাশি সেখানকার সেতু, জল শোধনাগার এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্র-সহ বেসামরিক কাঠামোগুলিতে হামলা করেছে। এর জবাবে তেহরানও মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার বন্ধু দেশগুলির ওপর হামলা চালিয়েছে। ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আটকাতে কুয়েত, জর্ডান, বাহরিন এবং কাতার তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement