নারকীয়! ভয়ংকর! ৭ বছর ধরে প্রেমিকের বিকৃত যৌনাচারের শিকার এক যুবতী। অভিযোগ, এই সময়কালের মধ্যেই তাঁকে ৫০০-রও বেশি যুবকের সঙ্গে সঙ্গমে বাধ্য করা হয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, তাঁকে ‘যৌনদাসী’তে পরিণত করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। সম্প্রতি তাঁর প্রেমিককে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত।
ঘটনাটি ফ্রান্সের। বছর বিয়াল্লিশের ওই যুবতী চার সন্তানের মা। ২০১৫ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত গুইলাম বুচি নামে এক যুবকের সঙ্গে তিনি সম্পর্কে ছিলেন। অভিযোগ, সম্পর্কে জড়ানোর কিছুদিন পর থেকেই গুইলাম তাঁর আসল রূপ দেখান। জোর করে যুবতীকে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করেন তিনি। বন্ধু, সহকর্মী এবং অপরিচিতদের ব্যক্তিদের কাছেও নিজের প্রেমিকাকে তিনি ‘বিক্রি’ করতেন। নির্যাতিতার কথায়, “৪৮৭ জন পুরুষের সঙ্গে সঙ্গমের পর আমি গোনা বন্ধ করে দিয়েছিলাম।”
দীর্ঘ নির্যাতনের জেরে ‘মানসিক ভারসাম্য’ হারিয়েছেন ওই যুবতী। তাঁর দাবি, তাঁকে ৭ বছর ‘যৌনদাসী’ বানিয়ে রাখা হয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, গুইলামের নির্দেশে তাঁকে মূত্র পান, শৌচাগার চেটে পরিষ্কার করার মতো কাজও করতে হত। তাঁর কথায়, “২০১৭ সালে সন্তানের জন্মের পর যেদিন আমি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলাম, তার একদিন পরই এক ট্রাক চালকের সঙ্গে আমাকে যৌনকর্মে বাধ্য করেছিল গুইলাম।” নির্যাতিতার আরও দাবি, অন্য পুরুষের সঙ্গে সঙ্গমে বাধ্য করিয়ে অভিযুক্ত ফোনে আড়ি পাততেন। কান্নাভেজা চোখে আদালতে দাঁড়িয়ে যুবতী বলেন, "আমি ভিতরে ভিতরে একেবারে ভেঙে পড়েছিলাম।"
