shono
Advertisement

Breaking News

ধড় থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া মাথা আবার জোড়া লাগল! অসাধ্য সাধন চিকিৎসকদের

কোনওরকম সাপোর্ট ছাড়াই দিব্যি হেঁটেচলে বেড়াচ্ছে ছেলেটি।
Posted: 09:35 PM Jul 14, 2023Updated: 09:35 PM Jul 14, 2023

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধড় থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া মাথা আবার জোড়া লাগল! প্রাণে বেঁচে ফিরল নাবালক! শুধু তাই নয় কোনওরকম সাপোর্ট ছাড়াই দিব্যি হেঁটে চলেও বেড়াচ্ছে সে! হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন। অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই সত্যি। এই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছেন ইজরায়েলের চিকিৎসকরা। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে এমনই এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ভয়াবহ দুর্ঘটনায় সুলেমান হাসান নামে বছর বারোর এক নাবালকের ঘাড়  ও মাথা পুরোটাই আলাদা হয়ে যায়। ওই অবস্থায় ছেলেটিকে এয়ারলিফট করে ইজরায়েলের হাদাশাহ মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে আসা হয়। তারপর দ্রুত তাকে জরুরি অস্ত্রোপচারের জন্য পাঠানো হয়।

[আরও পড়ুন: ‘ফিরে যাওয়ার চেয়ে মৃত্যু ভাল’, বলছেন ভারতীয় যুবকের প্রেমের টানে সীমান্ত পেরনো পাক যুবতী]

ওই হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জন ড. ওহাদ এইনাভ জানিয়েছেন, “দুর্ঘটনায় ছেলেটির মাথা ঘাড় থেকে প্রায় পুরোটাই আলাদা হয়ে গিয়েছিল। ফলে অস্ত্রোপচারটি খুবই জটিল ছিল। আমাদের বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় লেগেছিল। ক্ষতস্থানে নতুন প্লেট বসাতে হয়েছিল।” তিনি আরও জানিয়েছেন, ” আমাদের প্রধান লক্ষ্যই ছিল বাচ্চাটির জীবন বাঁচানো। আমাদের অভিজ্ঞতা ও উন্নতি চিকিৎসা প্রযুক্তির সাহায্যেই এই অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে। তবে এটা সত্যিই বুঝি অলৌকিক ঘটনা। কারণ ছেলেটির বাঁচার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ ছিল। কিন্তু সমস্ত চিকিৎসকরা ছেলেটির জীবন বাঁচানোর জন্য লড়াই করেছেন।”

ঘটনাটি গত জুন মাসের। জুলাইয়ের আগে ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা এ বিষয়ে কোনও তথ্য জানাতে চাননি। সম্প্রতি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে সুলেমান। তবে তার ঘাড়ে সারভিক্যাল স্প্লিন্ট লাগানো রয়েছে। আগামিদিনেও সুলেমানের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে ড. এইনাভ জানিয়েছেন, “সুলেমানের স্নায়বিক কোনও সমস্যা নেই। শরীরে কোনও অস্বাভাবিকতা নেই। এমনকী কোনও সাপোর্ট ছাড়াই সে হাঁটাচলা করতে পারছে।”

জানা গিয়েছে, সুলেমানের সাইকেলের সঙ্গে একটি গাড়ির ধাক্কা লাগে। তাতেই এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে নিয়ে আসার পর থেকে এক মুহূর্তের জন্যও ছেলেকে কাছছাড়া করেননি বাবা। তাই একমাত্র সন্তানকে সুস্থ করে দেওয়ার জন্য সমস্ত চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: সোনার মতোই দুর্মূল্য! ১০ কেজি তিমির বমি পেয়ে আনন্দে আত্মহারা গবেষক]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement