shono
Advertisement
Donald Trump

ট্রাম্প প্রথম নন, ৪৫ বছর আগে ওয়াশিংটনের এই হোটেলেই গুলিবিদ্ধ হন এক মার্কিন প্রেসিডেন্ট

মার্কিন ইতিহাসে প্রেসিডেন্টের গুপ্তহত্যার ঘটনা নতুন কিছু নয়। রোনাল্ড রেগান ছিলেন এই গুপ্তহত্যার ষড়যন্ত্রের শিকার হওয়া প্রথম প্রেসিডেন্ট।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 02:58 PM Apr 26, 2026Updated: 02:58 PM Apr 26, 2026

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নৈশভোজের অনুষ্ঠানে আততায়ী হামলা ও গুলি চলার ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা বিশ্বে। হামলাকারীর নিশানা থেকে কোনওমতে রক্ষা পেয়েছেন ট্রাম্প, ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ও তাঁর ক্যাবিনেটের অন্যান্য সদস্যরা। তবে এই ঘটনা উসকে দিয়েছে ৪৫ বছরের অতীত স্মৃতি। ট্রাম্প রক্ষা পেলেও, সেবার রক্ষা পাননি আমেরিকার ৪০ তম প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগান। রীতিমতো গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় তাঁকে।

Advertisement

মার্কিন ইতিহাসে প্রেসিডেন্টের গুপ্তহত্যার ঘটনা নতুন কিছু নয়। রোনাল্ড রেগান ছিলেন এই গুপ্তহত্যার ষড়যন্ত্রের শিকার হওয়া প্রথম প্রেসিডেন্ট। সালটা ১৯৮১। ওয়াশিংটনের অভিশপ্ত এই হিলটন হোটেল থেকে বের হচ্ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রেগান। তখনই প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এক আততায়ী। অতর্কিত হামলায় বুকে গুলি লাগে প্রেসিডেন্টের। সেখানেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। দীর্ঘদিন হাসপাতালে থাকতে হয় প্রেসিডেন্টকে। যদিও শেষ পর্যন্ত প্রাণে বেঁচে যান রেগান।

প্রেসিডেন্ট রেগানের উপর সেই হামলা চালিয়েছিল হিঙ্কল জুনিয়র নামে এক যুবক। পরপর ৬টি গুলি চালায় এই আততায়ী।

এফবিআই-এর পুরনো রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট রেগানের উপর সেই হামলা চালিয়েছিল হিঙ্কল জুনিয়র নামে এক যুবক। পরপর ৬টি গুলি চালায় এই আততায়ী। হামলায় আহত হয়েছিলেন সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্টরাও। গুরুতর আহত প্রেসিডেন্টকে হোটেল থেকে সরাসরি লিফটে করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ৪৫ বছর পর সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল সেই হিলটন হোটেলে।

তদন্তকারীদের তরফে জানা যাচ্ছে, শনিবার রাতে ওয়াশিংটন ডিসির এক হোটেলে হোয়াইট হাউসের নৈশভোজে আচমকা হানা দেয় এক বন্দুকবাজ। উদ্দেশ্য ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টকে হত্যা করার। জানা যাচ্ছে, হোটেলের ব্যাঙ্কোয়েট হলে ঢোকার চেষ্টা করছিল বন্দুকবাজ। নিরাপত্তাবেষ্টনী পার হওয়ার রাস্তায় তাঁকে বাধা দেওয়া হলে সেখানেই গুলি চালায় আততায়ী। হামলায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের কোনও আঘাত লাগেনি। দ্রুত তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ট্রাম্পের পাশাপাশি সেখানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-সহ অন্যান্যরা। ওই নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৬০০ অতিথি। সাংবাদিক থেকে শুরু করে জনপ্রিয় অভিনেতা প্রত্যেকেই আমন্ত্রিত ছিলেন। নৈশভোজের পর ট্রাম্পের ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ওই ঘটনায় হুলুস্থুল পড়ে যায়।

হোয়াইট হাউসের নৈশভোজে এই হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক প্রশ্ন উঠছে। ট্রাম্পের উপর হামলাকারী আততীয় কে? ইরান যুদ্ধের আবহেও কীভাবে তিনি আগ্নেয়াস্ত্র হাতে প্রেসিডেন্টের ইভেন্টে ঢুকে পড়লেন? কোনওভাবে কি এই হামলার সঙ্গে ইরানের যোগ রয়েছে? যদিও ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছেন, “ঘটনার সঙ্গে কোনও যোগ নেই ইরানের। এটা লোন উলফ হামলা।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement